নয়াদিল্লি: ‘তিন দিন ধরে জ্বর কমছে না। একটা ভালো অ্যান্টিবায়োটিক দিন তো!’ মুখের কথা শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বেরিয়ে এল ট্যাবলেটের পাতা। ওষুধের দোকানগুলিতে এটা রোজকার চিত্র। ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন ছাড়াই এভাবে মুড়ি-মুড়কির মতো ওষুধ বিক্রিতে রাশ টানতে এবার কঠোর পদক্ষেপের পথে কেন্দ্র। শীঘ্রই ওষুধের দোকানগুলিতে ক্লোজড-সার্কিট টেলিভিশন (সিসিটিভি) ক্যামেরা বাধ্যতামূলক হতে পারে।
শিডিউল এইচ, এইচ১ এবং এক্স শ্রেণিভুক্ত ওষুধগুলির ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণমূলক নজরদারি জোরদার করতে ১৯৪৫ সালের ওষুধবিধিতে সংশোধনের প্রস্তাব করেছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রক। গত ৮ সেপ্টেম্বর জারি করা হয়েছে খসড়া বিজ্ঞপ্তি। সেই খসড়া বিজ্ঞপ্তিতেই ওই ওষুধগুলির অনুমোদনহীন বিক্রয় সংক্রান্ত উদ্বেগের সমাধান করা হয়েছে এবং অতিরিক্ত সুরক্ষামূলক ব্যবস্থা হিসাবে সব ওষুধের দোকানে বাধ্যতামূলক সিসিটিভি ক্যামেরার নজরদারির সুপারিশ করা হয়েছে। বলা হয়েছে, রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন মেনে যে সমস্ত ওষুধ বিক্রি হবে, তার পুরো প্রক্রিয়াটি হতে হবে লাইসেন্সপ্রাপ্ত ওষুধের দোকানে সিসিটিভি ক্যামেরার নজরদারিতে। শুধু তা-ই নয়, ওই ফুটেজ তিন মাস সংরক্ষণ করে রাখতে হবে। এই পদক্ষেপের ফলে জনস্বাস্থ্য আরও সুরক্ষিত করে তোলা সম্ভব হবে। তবে, পাইকারি ওষুধ বিক্রেতাদের এই সংক্রান্ত এই নিয়মের আওতার বাইরে রাখা হয়েছে। প্রস্তাবিত সংশোধনীটির বিষয়ে আগামী ৩০ দিনের মধ্যে জনসাধারণ ও সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের কাছে মতামত ও পরামর্শ চেয়েছে স্বাস্থ্যমন্ত্রক। এবিষয়ে কারাও কোনো আপত্তি থাকলে, তা-ও জানানো যাবে নির্দিষ্ট ওই সময়সীমার মধ্যে।