Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

কিস্তির টাকা পেয়েও বাংলার বাড়ির কাজ শুরু করেননি মালদহের ১১৭ উপভোক্তা

টাকা পেয়েও বাংলার বাড়ি প্রকল্পের কাজ শুরু করেননি মালদহের ১১৭ জন উপভোক্তা। তাঁদের বিরুদ্ধে এবার নোটিস জারির সিদ্ধান্ত নিল জেলা প্রশাসন। এক সপ্তাহের ব্যবধানে দেওয়া হবে তিনটি নোটিস।

কিস্তির টাকা পেয়েও বাংলার বাড়ির কাজ শুরু করেননি মালদহের ১১৭ উপভোক্তা
  • ২৫ জুন, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, মালদহ: টাকা পেয়েও বাংলার বাড়ি প্রকল্পের কাজ শুরু করেননি মালদহের ১১৭ জন উপভোক্তা। তাঁদের বিরুদ্ধে এবার নোটিস জারির সিদ্ধান্ত নিল জেলা প্রশাসন। এক সপ্তাহের ব্যবধানে দেওয়া হবে তিনটি নোটিস। তা সত্ত্বেও বাড়ি তৈরির কাজ শুরু করতে না পারলে নেওয়া হবে আইনানুগ ব্যবস্থা। চতুর্থ নোটিস জারি করে সরকারি টাকা ফেরৎ চাওয়া হবে। না দিলে উপভোক্তার বিরুদ্ধে এফআইআর করবে প্রশাসন।  

Advertisement

জেলাশাসক নীতিন সিঙ্ঘানিয়া বলেন, যে সমস্ত উপভোক্তা টাকা পেয়েও বাড়ি তৈরির কাজ শুরু করেননি, তাঁদের সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হচ্ছে। তারপরেও বাড়ি তৈরি না করলে সেই টাকা ফেরত চাওয়া হবে। সরকারি টাকা ফেরত না দিলে করা হবে এফআইআর। 
মালদহ জেলা পরিষদ সূত্রে খবর, ২৩ জুন পর্যন্ত একটি রিপোর্ট পাওয়া গিয়েছে।  দেখা যাচ্ছে, মালদহ জেলার ১১৭ জন এমন উপভোক্তা বাংলার বাড়ি প্রকল্পের প্রথম কিস্তির পুরো টাকা পেয়েও গত সাতমাস ধরে বাড়ি তৈরির কাজ শুরু করেননি।
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, বাংলার বাড়ি প্রকল্পের প্রথম কিস্তির টাকা পেয়েও কাজ শুরু করেননি উপভোক্তারা, মালদহ জেলায় এমন গ্রাম পঞ্চায়েতের সংখ্যা ১০টি, পঞ্চায়েত সমিতি সাতটি। যার মধ্যে একটি গ্রাম পঞ্চায়েতেই বাড়ি তৈরি করতে না পারার সংখ্যাটা সবথেকে বেশি। কালিয়াচক -২ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির অন্তর্গত রথবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের ৪৫ জন উপভোক্তা বাংলার বাড়ি প্রকল্পের টাকা পেয়েও কাজ শুরু করেননি। 
মালদহ জেলা পরিষদের অতিরিক্ত নির্বাহী আধিকারিক শেখ আনসার আহমেদ বলেন, অনেকে টাকা পেলেও কাজ শুরু করছেন না। তাঁদের  নোটিস দিয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জেলা পরিষদ সূত্রে জানা গিয়েছে, টাকা পেয়েও বাড়ি তৈরি না করার যে তালিকা প্রশাসন তৈরি করেছে, সেখানে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ইংলিশবাজার পঞ্চায়েত সমিতির মহদিপুর গ্রাম পঞ্চায়েত। ঘটনাচক্রে এই এলাকাটি জেলা পরিষদের সভাধিপতির নির্বাচনী ক্ষেত্র। মহদিপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ১১ জন উপভোক্তা  টাকা পাওয়া সত্ত্বেও বাড়ি তৈরির কাজ শুরু করেনি। এছাড়াও কালিয়াচক-১ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির কালিয়াচক-১ গ্রাম পঞ্চায়েতে ১০ জন উপভোক্তা, বামনগোলা পঞ্চায়েত সমিতির জগদোলা গ্রাম পঞ্চায়েতে ন’জন এবং পাকুয়াহাট গ্রাম পঞ্চায়েতে ছ’জন, চাঁচল -১ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির অন্তর্গত খড়বা গ্রাম পঞ্চায়েতে ন’জন এবং মহানন্দাপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে সাত, চাঁচল-২ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির গৌড়হান্ডা গ্রাম পঞ্চায়েতে সাত এবং চন্দ্রপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতে ছয় উপভোক্তা এবং হবিবপুর পঞ্চায়েত সমিতির বৈদ্যপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের সাতজন টাকা পেয়েও বাড়ি তৈরি করেননি।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ