সংবাদদাতা, বালুরঘাট: সামাজিক মাধ্যমে প্রেম। আর প্রেমের টানে অবৈধভাবে ওপার বাংলা থেকে প্রেমিকের বাড়িতে হাজির বছর সাতাশের বাংলাদেশি যুবতী। তবে ‘মনের মানুষের’ সঙ্গে সংসার করা হল না তাঁর। পতিরাম থানার পুলিশ ওই যুবতীকে আটক করে বিএসএফের হাতে তুলে দেয়। বৃহস্পতিবার এনিয়ে বিএসএফ ও বিজিবি ফ্ল্যাগ মিটিং করে। তারপরই বাংলাদেশি যুবতীকে ওপারে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। বিএসএফ সূত্রে খবর, ওই যুবতীকে বিজিবির হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার পতিরাম থানার মাধবপুর বিওপি দিয়ে ওই যুবতীকে ‘পুশব্যাক’ করা হয়েছে।
পুলিশ ও বিএসএফ সূত্রে খবর, পতিরাম থানার বোল্লা গ্রামপঞ্চায়েতের পূর্ব মহেশপুর গ্রামের বাসিন্দা দীপঙ্কর হালদার। তাঁর সঙ্গে সামাজিক মাধ্যমে বাংলাদেশের বগুড়া জেলার বেগুনবাড়ির ওই যুবতীর পরিচয়। এক বছরের বেশি সময় ধরে তাঁদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক। দীপঙ্করের সঙ্গে সংসার করার জন্য কাঁটাতারা পেরিয়ে এপারে চলেও আসেন ওই যুবতী। ওই যুবতী ত্রিপুরা হয়ে এদেশে ঢোকেন। সেখান থেকে সোজা চলে আসেন দক্ষিণ দিনাজপুরের পতিরামের বোল্লার মহেশপুর গ্রামে।
স্থানীয় সূত্রে খবর, গত শনিবার ওই যুবতী দীপঙ্করের বাড়িতে চলেও এসেছিলেন। কিন্তু বিষয়টি জানাজানি হতেই পুলিশ তাঁকে আটক করে। বৃহস্পতিবার বিএসএফ ওই যুবতীকে বাংলাদেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করে। এ বিষয়ে যুবকটির পরিবার কিছু বলতে চায়নি। পুলিশ আধিকারিকরাও কেউ মন্তব্য করতে চাননি। তবে ওই গ্রামের বাসিন্দা আনন্দ মণ্ডল বলেন, ভেবেছিলাম ওই মহিলা আশপাশের। পরে জানতে পারি বাংলাদেশের। পুলিশ প্রশাসন নাকি তাঁকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে দিয়েছে। পতিরামের মাধবপুর বিওপির এক বিএসএফের কর্তা বলেন, অবৈধভাবে আসা এক যুবতীকে বাংলাদেশে পুশব্যাক করা হয়েছে।