Bartaman Logo
৩ জুন, ২০২৬

‘যা হয়েছে, তা হয়েছে’, হোয়াটসঅ্যাপে নির্বিকার বার্তা ছাত্র খুনে অভিযুক্ত কিশোরের

অষ্টম শ্রেণির ছাত্রের হাতে দশমের পড়ুয়ার খুন কাণ্ডে উত্তাল গুজরাতের আমেদাবাদ। বৃহস্পতিবারও দফায় দফায় বিক্ষোভ দেখালেন অভিভাবকরা।

‘যা হয়েছে, তা হয়েছে’, হোয়াটসঅ্যাপে নির্বিকার বার্তা ছাত্র খুনে অভিযুক্ত কিশোরের
  • ২২ আগস্ট, ২০২৫ ০৪:০০

আমেদাবাদ: অষ্টম শ্রেণির ছাত্রের হাতে দশমের পড়ুয়ার খুন কাণ্ডে উত্তাল গুজরাতের আমেদাবাদ। বৃহস্পতিবারও দফায় দফায় বিক্ষোভ দেখালেন অভিভাবকরা। অভিভাবকদের বক্তব্য, স্কুলে পড়ুয়াদের ব্যাগ থেকে চুরি, বচসা ও হাতাহাতি নিত্যদিনের ঘটনা। বারবার অভিযোগ জানানো সত্ত্বেও কোনও ব্যবস্থাই নেয়নি স্কুল কর্তৃপক্ষ। অভিভাবকদের প্রশ্ন, লক্ষ লক্ষ টাকা নিলেও  স্কুল কর্তৃপক্ষ কোনওদিন নিজের দায়িত্ব পালন করেনি। এরইমধ্যে পুলিসের প্রাথমিক তদন্তে অভিযুক্ত পড়ুয়ার সঙ্গে তার এক সহপাঠীর হোয়াটস্যাপে শিউরে ওঠার মতো কথোপকথন। সেখানে অভিযুক্ত খুনের কথা স্বীকার করে। এমনকী, নির্বিকার ভাবে সে বলে, ‘যা হয়েছে, তা হয়েছে’। এরপর ওই সহপাঠী অভিযুক্তকে ‘আন্ডারগ্রাউন্ডে’ চলে যাওয়ারও পরামর্শ দেয়। 

Advertisement

ঘটনার প্রতিবাদে পথে নেমেছে কংগ্রেসের ছাত্র সংগঠনও। তাদের দাবি, স্কুল কর্তৃপক্ষের গাফিলতির কারণেই এই ঘটনা। তাই অবিলম্বে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ করতে হবে। পাশাপাশি বিশ্ব হিন্দু পরিষদের ডাকা বন্‌঩ধের প্রভাব পড়ে মানিনগর, খোখারা, ইসানপুর এলাকায় প্রায় ২০০ স্কুলে।  
মঙ্গলবার স্কুলের দশম শ্রেণির এক পড়ুয়াকে ছুরি দিয়ে কুপিয়ে খুন করে অষ্টম শ্রেণির ওই ছাত্র। এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর বুধবার স্কুলে ভাঙচুর চালায় উত্তেজিত জনতা। কর্মীদেরও মারধর করা হয়। ওই ঘটনায় পুলিসে অভিযোগ দায়ের করেছে কর্তৃপক্ষ। তার ভিত্তিতে প্রায় ৫০০ জনের বিরুদ্ধে দাঙ্গা, হেনস্তা, ভাঙচুর সহ একাধিক ধারায় মামলা দায়ের হয়েছে। এদিকে, কিশোরের মৃত্যুর জন্য স্কুল কর্তৃপক্ষকেই কাঠগড়ায় তুলেছে নিহতের পরিবার। তাদের অভিযোগ, সময়মতো অ্যাম্বুলেন্সও ডাকা হয়নি। রক্ত মুছে প্রমাণ লোপাটের জন্য জলের ট্যাঙ্ক চেয়ে পাঠিয়েছিল কর্তৃপক্ষ। ইতিমধ্যেই এফআইআর দায়ের হয়েছে। অভিযুক্ত ছাত্রকে আটক করেছে পুলিস। 

সম্পর্কিত সংবাদ