Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

বহরমপুর পুরসভার ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে বাড়ি বাড়ি জলের সমস্যা মিটতে চলেছে, ‘বর্তমান’ সংবাদপত্রে খবর প্রকাশের জের

অবশেষে বহরমপুর পুরসভার ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে বাড়ি বাড়ি পানীয় জলের সঙ্কট মিটতে চলেছে

বহরমপুর পুরসভার ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে  বাড়ি বাড়ি জলের সমস্যা মিটতে চলেছে, ‘বর্তমান’ সংবাদপত্রে খবর প্রকাশের জের
  • ১৩ মে, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, বহরমপুর: অবশেষে বহরমপুর পুরসভার ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে বাড়ি বাড়ি পানীয় জলের সঙ্কট মিটতে চলেছে। গত বুধবার ‘বর্তমান’ সংবাদপত্রে পানীয় জলের সঙ্কটের খবর প্রকাশিত হওয়ার পরই বহরমপুর পুর কর্তৃপক্ষ নড়েচড়ে বসেছে। পানীয় জলের অভাব মেটাতে ওই এলাকায় নতুন করে বসানো হচ্ছে সাবমার্সিবল পাম্প। পাম্প বসানোর কাজ শুরু হওয়ায় এলাকার বাসিন্দারা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। বাসিন্দাদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে বাড়ি বাড়ি জল আসছিল না। এতে চরম অসুবিধা ভোগ করতে হচ্ছিল। পুর কর্তৃপক্ষ সমস্যা মেটাতে তৎপর হওয়ায় আমরা খুশি। আশা করি, আর কোনও সমস্যা থাকবে না।

Advertisement

বহরমপুর পুরসভার ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা পুরসভার চেয়ারম্যান নিজেই। সেই ওয়ার্ডের নিমাই ছয় ভাই লেনের বিস্তীর্ণ এলাকায় গত পাঁচ মাস ধরে বাড়ি বাড়ি জল আসছিল না। বাসিন্দারা চরম দুর্ভোগে দিন কাটাচ্ছিলেন। বাড়ি বাড়ি জল না গেলেও রাস্তার কলগুলি সচল রয়েছে। বাসিন্দারা রাস্তার কল থেকে জল নিয়ে পরিবারে জলের চাহিদা মেটাচ্ছিলেন। বেশ কয়েকজন পুর নাগরিক সমস্যার কথা লিখিতভাবে পুরসভার সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জানান। বিভাগীয় আধিকারিক পাম্প বসিয়েই সমস্যা মেটাতে হবে বলে তাঁদের জানান। কিন্তু তারপর পুরসভার জল বিভাগ সমস্যার সমাধানে কোনও উদ্যোগ নেয়নি বলেই অভিযোগ উঠেছিল। ওয়ার্ড কাউন্সিলার রীতা হালদারের প্রতিক্রিয়া জানতে ফোন করা হলে তিনি জানান, পানীয় জল সমস্যা রয়েছে, এমন তথ্য তাঁর কাছে নেই।  এদিকে পানীয় জলের সমস্যায় এলাকায় ক্ষোভ বাড়ছিল। গত বুধবার নিমাই ছয় ভাই লেনের পানীয় জল সঙ্কটের খবর প্রকাশিত হয়। আর তারপরই পুর কর্তৃপক্ষ যুদ্ধকালীন তৎপরতায় পানীয় জলের সমস্যা মেটাতে ঝাঁপিয়ে পড়ে। সাবমার্সিবল পাম্প বসানোর কাজ শুরু করা হয়েছে। পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, পাম্প বসানো হলে যে ক’টি বাড়িতে জল যাচ্ছিল না, সেখানে জল পৌঁছবে। আর কোনও সমস্যা থাকবে না।
পাম্প বসানোর কাজ শুরু হতেই স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলতে শুরু করেছেন স্থানীয় মানুষ। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, পাঁচ মাস ধরে জলের সমস্যা ভোগ করে আসছি। সমস্যা মিটতে চলায় ‘বর্তমান’ সংবাদপত্র এবং পুর কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ