


নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: ২০২৪ সালের লোকসভায় বিরোধীদের প্রধান হাতিয়ার ছিল সংবিধানকে রক্ষা করতে হবে। বিরোধীদের এই স্লোগানেই দেশের বিভিন্ন রাজ্যের নির্বাচনে বিজেপি মুখ থুবড়ে পড়ে। এই সাফল্যকে স্মরণীয় করে রাখতে কংগ্রেস এমপিরা হাতে সংবিধান নিয়ে সংসদে প্রবেশ করে শপথ নিয়েছিলেন। বিরোধীদের সবথেকে বড় অভিযোগই হল, মোদি সরকার সংবিধানের মৌলিক অধিকাররেই থাবা বসাচ্ছে। বাক স্বাধীনতায় পরোক্ষে এক ভীতির পরিবেশ। একের পর এক সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানকেও কুক্ষিগত করার হচ্ছে বলে অভিযোগ বিরোধীদের। মঙ্গলবার রাজ্যসভার চেয়ারম্যান জগদীপ ধনকার বলেছেন, সংবিধান দেশবাসীকে দিয়েছে মৌলিক অধিকার। কিন্তু একইসঙ্গে সংবিধান দেশবাসীকে দিয়েছে নিজেদের কর্তব্য পালনের অধিকার। অধিকার অর্থহীন, যদি না সেই অধিকার প্রয়োগ করা যায়। ভারত মুষ্টিমেয় কিছু দেশের মধ্যে অন্যতম যেখানে মৌলিক অধিকার পালনের অধিকার পেতে সর্বোচ্চ আদালতেও যাওয়া সম্ভব। ধনকার বলেন, সংবিধান সর্বোচ্চ। তারপরই সংসদ। সাংবিধানিক অধিকার পালন ও প্রয়োগ করায় যখন কোনও বাধা সৃষ্টি হয়, তখন বুঝতে হবে বিপজ্জনক পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। সেটা ব্যক্তিগত অধিকার রক্ষা ও পালন হোক অথবা প্রাতিষ্ঠানিক। প্রত্যেক ব্যক্তি এবং প্রতিষ্ঠান তাদের অধিকার ও সাংবিধানিক ক্ষমতার পালন করবে। সংবিধানের নীতি, শিক্ষা এবং নির্দেশিকাকে তুলে ধরতে হবে। সংবিধান পালনই সবথেকে বৃহৎ মৌলিক অধিকার। এদিন ধনকার যে কথাগুলি বলেছেন, প্রতিটি প্রসঙ্গই বিগত বছরগুলিতে উঠে এসেছে বিরোধীদের মুখে। রাজ্যসভার চেয়ারম্যান হিসেবে ধনকার সংসদের গুরুত্ব আরও একবার মনে করিয়ে দিয়েছেন।