ওয়াশিংটন: ঝুঁকির কথা জেনেই ইরানে হামলা চালানোর সিদ্ধান্ত নেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এক মার্কিন আধিকারিক সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ইরান আক্রমণের আগে ট্রাম্পকে জানানো হয়েছিল, এই পদক্ষেপে বড় ঝুঁকি রয়েছে। বহু মার্কিন সেনার প্রাণহানি হতে পারে। তবে একই সঙ্গে প্রেসিডেন্টকে জানানো হয়, সফল হলে মধ্যপ্রাচ্যে বড় কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক পরিবর্তন আসবে। যা আমেরিকার জন্য অত্যন্ত লাভজনক। তা শুনেই হামলার সিদ্ধান্তে সবুজ সংকেত দেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, ‘সাহসী মার্কিন সেনাদের জীবন হারানোর আশঙ্কা রয়েছে, তবে ভবিষ্যতের জন্য এই পদক্ষেপ নিতে হচ্ছে আমাদের। ৪৭ বছর ধরে ইরানের শাসকগোষ্ঠী আমেরিকার বিরুদ্ধে শত্রুতা চালিয়ে যাচ্ছে। তাই এবার কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।’ ইরানে হামলার আগে একাধিকবার বৈঠক করেন ট্রাম্প। সিআইএ-এর ডিরেক্টর জন র্যাটক্লিফ, জয়েন্ট চিফ অব স্টাফের চেয়ারপার্সন জেনারেল ড্যান কেন, বিদেশ সচিব মার্কো রুবিও সহ একাধিক উচ্চপদাধিকারী আধিকারিকের সঙ্গে। বিস্তারিত ব্রিফিং নেন তাঁদের থেকে। এছাড়াও মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন বাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপারও হোয়াইট হাউজে উপস্থিত ছিলেন। সূত্রের খবর, ট্রাম্পকে জানানো হয়, ইরান পালটা আঘাত হানবে। মার্কিন ঘাঁটিগুলিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাতে পারে তেহরান। ইরাক, সিরিয়ায় মার্কিন সেনাদের উপরও হামলা চলতে পারে। অতিরিক্ত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন থাকা সত্ত্বেও সমস্ত আক্রমণ ঠেকানো সম্ভব নাও হতে পারে।



