নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: সাম্প্রতিককালের মধ্যে সবথেকে বড় যুদ্ধমহড়া করতে চলেছে ভারতীয় বায়ুসেনা। অপারেশন সিন্দুরের পরই যুদ্ধমহড়া হলেও সেটি প্রধানত ছিল সাধারণ মানুষের জন্য সিভিল ডিফেন্সের প্রশিক্ষণ, নির্দেশিকা, গাইউলাইন। অর্থাৎ যুদ্ধ পরিস্থিতি হলে কী কী করতে হয়। প্রধানমন্ত্রী থেকে প্রতিরক্ষামন্ত্রী— সকলেই বলছেন, অপারেশন সিন্দুর এখনও শেষ হয়নি। ভারত এখনও প্রস্তুত ও সতর্ক। এমনকী নিয়ন্ত্রণরেখার বহু পোস্ট থেকে সেনা পিছিয়ে আসেনি। এই দাবির মাধ্যমে ভারত সরকার ঠিক কী বার্তা দিতে চায়, তা নিয়ে জল্পনা অব্যাহত। এমতাবস্থায় ভারতের এয়ার ফোর্স রাজস্থান সীমান্তে পাকিস্তানের নাকের ডগায় আজ থেকে ৪৮ ঘণ্টা ধরে করবে বিশেষ মহড়া। অপারেশন সিন্দুরে যে ফাইটার জেট বাহিনী অংশগ্রহণ করেছিল, সেইসব যুদ্ধবিমানের স্কোয়াড্রনই বিশেষভাবে এই যুদ্ধমহড়ায় থাকবে। অর্থাৎ রাফাল, সুখোই থার্টি, জাগুয়ার, মিরাজ-২০০০। সামরিক পরিভাষায় নোটাম (নোটিস টু এয়ারমেন) জারি করা হয়েছে। এই যুদ্ধমহড়ায় বায়ুসেনা যুদ্ধকালীন সময়কালে কতটা প্রস্তুত, সাপ্লাই লাইন কতটা তৈরি ও যোগ্য এবং ব্যাকআপ সাপোর্ট তথা প্রযুক্তিগত নেটওয়ার্কের সামগ্রিক মহড়া হবে বলে জানা যাচ্ছে। আজ বিকেল সাড়ে ৩ টে থেকে আগামীকাল রবিবার রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত চলবে মহড়া। রাজস্থানের বিস্তীর্ণ সীমান্তে দু’দিন ধরে যুদ্ধমহড়ার কারণে পশ্চিম ভারতের এয়ারস্পেসের বেশ কিছু এলাকা নো ফ্লাই জোন করা হবে। এদিকে জানা যাচ্ছে, ভারত হঠাৎ পাকিস্তানের সীমান্তবর্তী অংশেই বেছে বেছে যুদ্ধবিমান ওড়াবে শুনে পাকিস্তানও রীতিমতো সীমান্তে সেনা মোতায়েন করেছে। তৈরি রেখেছে বায়ুসেনাকে। ফাইল চিত্র



