ওয়াশিংটন, ২০ মার্চ: হামাস ‘যোগ’ সন্দেহে ও প্যালেস্তাইনের পক্ষে কথা বলায় এক ভারতীয় গবেষককে গ্রেপ্তার করল ট্রাম্পের প্রশাসন। তাঁর ভিসাও প্রত্যাহার করে নিয়েছে আমেরিকা। মার্কিন হোমল্যান্ড সিকিয়োরিটি দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, ভারতীয় গবেষকের নাম বদর খান সুরি। সোশ্যাল মিডিয়ায় প্যালেস্তাইনের সমর্থনে কথা বলায় তাঁকে গত সোমবার রাতে ভার্জিনিয়ায় তাঁর বাড়ির বাইরে থেকে গ্রেপ্তার করে মার্কিন পুলিস।
সুরির আইনজীবী জানিয়েছেন, আপাতত অভিবাসন আদালতে ট্রাম্পের প্রশাসনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন তিনি। সেই মামলার শুনানির দিকেই তাকিয়ে রয়েছেন তাঁরা। সূত্রের খবর, সুরিকে ভারতে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছে আমেরিকা। সুরির আইনজীবী জানিয়েছেন, তাঁর মক্কেলের বিরুদ্ধে একটি বিশেষ ধারা ব্যবহার করেছে ট্রাম্পের প্রশাসন। এই ধারা অনুযায়ী, যে সমস্ত অভিবাসী আমেরিকার জন্য ‘ক্ষতিকর’, তাঁদেরকে দেশ থেকে বহিষ্কার করতে পারে বিদেশ মন্ত্রক। ভারতীয় গবেষক সুরি দীর্ঘদিন ধরেই আমেরিকায় রয়েছেন। বিয়ে করেছেন এক মার্কিন নাগরিককে। যদিও জন্মসূত্রে তাঁর স্ত্রীর প্যালেস্তাইন যোগ রয়েছে বলেই জানা যাচ্ছে। তবে কী সেই কারণেই সুরির উপর কোপ পড়ল? জল্পনা তুঙ্গে। সূত্রের খবর, মেধাবি ছাত্র ছিলেন বদর খান সুরি।
ওয়াশিংটনের জর্জটাউন বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণার পাশাপাশি সেখানকার ছাত্রদের পড়াতেনও তিনি। ট্রাম্পের প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, সুরির যোগাযোগ রয়েছে এমন একজন ব্যক্তির সঙ্গে যে একজন সন্দেহভাজন জঙ্গি। সেই ব্যক্তিই আবার হামাস জঙ্গি গোষ্ঠীর উপদেষ্টা বলে দাবি করেছে ওয়াশিংটন। সুরির ভিসা প্রত্যাহারের ক্ষেত্রে সায় দিয়েছে মার্কিন বিদেশসচিব মার্কো রুবিও।