Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

গোয়ালতোড়ে অঞ্চল সম্মেলনে বুথস্তরে সংগঠন শক্তিশালী করার বার্তা তৃণমূলের

বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে রবিবার অঞ্চল সম্মেলন করল গোয়ালতোড়‌ পঞ্চায়েতের তৃণমূল কর্মীরা। সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী শ্রীকান্ত মাহাত, গড়বেতা বিধানসভার কো-অর্ডিনেটর নির্মল ঘোষ, গড়বেতা-২(এ) সভাপতি শুধাংশুশেখর মণ্ডল সহ প্রথমসারির নেতারা।

গোয়ালতোড়ে অঞ্চল সম্মেলনে বুথস্তরে সংগঠন শক্তিশালী করার বার্তা তৃণমূলের
  • ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৫:০২
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, মেদিনীপুর: বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে রবিবার অঞ্চল সম্মেলন করল গোয়ালতোড়‌ পঞ্চায়েতের তৃণমূল কর্মীরা। সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী শ্রীকান্ত মাহাত, গড়বেতা বিধানসভার কো-অর্ডিনেটর নির্মল ঘোষ, গড়বেতা-২(এ) সভাপতি শুধাংশুশেখর মণ্ডল সহ প্রথমসারির নেতারা। এদিন সম্মেলনে কর্মী-সমর্থকদের উপস্থিতি ছিল নজরকাড়া। তৃণমূল নেতারা জানান, গোয়ালতোড় পঞ্চায়েত এলাকার প্রায় একশো শতাংশ মানুষ বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন। যা অনেকটাই এগিয়ে রাখছে তৃণমূলকে। কিন্তু এই এলাকায় বুথস্তরে দুর্বলতা রয়েছে। যা নেতাদের চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সংগঠন শক্তিশালী করার বার্তা দেন নেতারা। বিধানসভার কো-অর্ডিনেটর নির্মলবাবু বলেন, বিজেপি এখান থেকে একটিও ভোট পাবে না। মানুষ উন্নয়নের সাথেই থাকবে। পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি দীনবন্ধু দে বলেন, আমরা ভোটের জন্য প্রস্তুত। অঞ্চল সম্মেলনের মাধ্যমে সংগঠন আরও মজবুত হবে। প্রসঙ্গত, গোয়ালতোড় পঞ্চায়েত এলাকা তৃণমূলের শক্ত ঘাঁটি। এই পঞ্চায়েত এলাকায় ১৩হাজারের বেশি ভোটার রয়েছে। তারমধ্যে পুরুষ ভোটার প্রায় ৪৯শতাংশ ও মহিলা ভোটার ৫১ শতাংশ। জানা গিয়েছে, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে এই পঞ্চায়েত এলাকা থেকে ১৩৩৪ ভোটের লিড পেয়েছিল তৃণমূল। ২০২৩ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনেও ঘাসফুল শিবির বাজিমাত করে। পঞ্চায়েতের ১৫টি আসনের মধ্যে ১৩টি পায় তৃণমূল ও বিজেপির দখলে যায় দু’টি আসন। তবে ২০২৪সালের লোকসভা নির্বাচনে এই পঞ্চায়েত এলাকা থেকে মাত্র ১১৭ ভোটের লিড পায় তৃণমূল। যা কর্মীদের কাছে চিন্তার কারণ। এক তৃণমূল নেতারা কথায়, এই পঞ্চায়েত এলাকায় বাংলার বাড়ি প্রকল্পে ৫০০জনের বেশি মানুষ বাড়ি পাচ্ছেন। পথশ্রী-৪ প্রকল্পে রাস্তা হচ্ছে। হাতির সমস্যার সমাধান করতে সোলার লাইট বসানো হয়েছে। তবে পিএইচই দপ্তর ঠিকমতো কাজ করেনি। জলের সমস্যা রয়েছে। পাশাপাশি এক গোষ্ঠীর নেতা অপর গোষ্ঠীকে পছন্দ করছে না। কিছু জনপ্রতিনিধির জনসংযোগও কম। মেদিনীপুর সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সহ-সভাপতি শঙ্কর গুছাইত বলেন, মানুষ তোলামূলকে একটাও ভোট দেবে না। যদিও পাল্টা তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি উজ্জ্বল দাস বলেন, বিজেপির লোক নেই। ওরা লড়াইয়ে থাকবে কীভাবে? • নিজস্ব চিত্র 

Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ