লখনউ: মধ্যপ্রদেশের পর উত্তরপ্রদেশ। এবার যোগীরাজ্যে প্রকাশ্যে এল এক বিজেপির নেতার ‘কুকীর্তি’! পার্টি অফিসে মহিলা কর্মীকে একা পেয়ে ওই বিজেপি নেতা জড়িয়ে ধরেন বলে অভিযোগ। গোণ্ডা জেলার অভিযুক্ত নেতার নাম অমর কিশোর কাশ্যপ। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, গাড়ি থেকে নেমে দলের জেলা অফিসের সিঁড়ি বেয়ে উঠছেন ওই মহিলা কর্মী। সেই সময় অভিযুক্ত নেতা পিছন দিক থেকে এসে তাঁকে জড়িয়ে ধরেন।
গত ১২ এপ্রিলের ঘটনার জেরে প্রবল বিতর্কের মুখে অমরকে কারণ দর্শানোর নোটিস ধরিয়েছে গেরুয়া শিবির। সাতদিনের মধ্যে জবাব তলব করা হয়েছে। যদিও অভিযুক্ত নেতার দাবি, ‘আমাকে বিপদে ফেলার জন্য ভিডিওটি ছড়ানো হয়েছে। ওই মহিলা অসুস্থবোধ করছিলেন। তাঁরা মাথা ঘুরছিল। সেজন্য সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলাম।।’ রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক গোবিন্দ নারায়ণ শুক্লা বলেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় এধরনের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ায় দল সম্পর্কে মানুষের মধ্যে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। ওই বিজেপি নেতাকে সাতদিনের মধ্যে নোটিসের জবাব দিতে বলা হয়েছে। নোটিসের সন্তোষজনক জবাব না পেলে তাঁর বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেবে দলের শৃঙ্খলা কমিটি।
এদিকে, জাতীয় সড়কে প্রকাশ্যে অভব্য আচরণের জন্য মধ্যপ্রদেশের এক বিজেপি নেতা মনোহরলাল ধাকড়কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিস। তাঁর সঙ্গী এখনও অধরা। মনোহরলালের বিরুদ্ধে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা দায়ের করে ভানপুরা থানার পুলিস। দিল্লি-মুম্বই জাতীয় সড়কের পাশে মনোহরলালকে এক মহিলার সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় দেখা গিয়েছিল। গাড়ি থামিয়ে সেখানে নেমেছিলেন মনোহরলাল ও ওই মহিলা। সেই ঘটনার ভিডিও সম্প্রতি ভাইরাল হয়ে যায়। যদিও মনোহরলাল দলের প্রাথমিক সদস্য নন বলে দাবি করেছেন মন্দসৌরের বিজেপি সভাপতি রাজেশ দীক্ষিত।