নিজস্ব প্রতিনিধি, চিত্তরঞ্জন: মা দুর্গার আরাধনায় রেলশহর চিত্তরঞ্জন সেজে উঠেছে। কেন্দ্রীয় সরকারের বঞ্চনা, নিয়োগ বন্ধ রাখা, বেসরকারিকরণের খাঁড়া ঝুলছে সিএলডব্লুর উপর। তা সত্ত্বেও এখানকার সৃজনশীল মানুষ দুর্গাপুজো ঘিরে অনবদ্য সব শিল্পভাবনার দর্শনার্থীদের সামনে তুলে ধরতে চলেছেন। চিত্তরঞ্জনে যে কয়েকটি বড় পুজো হয়, তার মধ্যে অন্যতম এসপি নর্থের পুজো। শ্রীশ্রী দুর্গা, লক্ষ্মী, কালীপুজো, এরিয়া-২, এসপি নর্থ কমিটি এই দুর্গোৎসব আয়োজন করে। এই পুজোর সঙ্গে চিত্তরঞ্জনবাসীর আবেগ জড়িত হয়েছে।
৭৪তম বর্ষে এই পুজো কমিটির থিম ‘শান্তি’। গৌতম বুদ্ধের মূর্তিকে সামনে রেখেই আয়োজকরা শান্তির বার্তা ছড়িয়ে দিতে চান। পুজো কমিটির সাধারণ সম্পাদর সৈকত দাস বলেন, সম্প্রতি শান্তির বড়ই অভাব দেখা যাচ্ছে। দেশে দেশে যুদ্ধ লাগছে। মানুষ প্রকৃতির রোষে পড়ছে। চারদিকে বিপর্যয়ের ছবি দেখে মানুষের মনেও এখন অশান্তি। মণ্ডপে এসে মানুষ যাতে শান্তি খুঁজে পান, আমরা সেই চেষ্টাই করছি। পুজো মণ্ডপ ওঙ্কার ও স্বস্তিক চিহ্নেও সাজিয়ে তোলা হয়েছে। আশা করছি, আমাদের দুর্গাপুজো দর্শনার্থীদের মন জয় করে নেবে।
পুজো কমিটির সভাপতি সৌগত ভট্টাচার্য, কোষাধ্যক্ষ স্নেহাশিস সেন বলেন, বহবছর ধরে আমরা চিত্তরঞ্জনের সবচেয়ে বড় দুর্গাপ্রতিমার পুজো করে আসছি। ১৬ফুটের প্রতিমা তৈরি হবে। এর চেয়ে বড় প্রতিমা চিত্তরঞ্জনে হয় না। পুজোর কোঅর্ডিনেটর অলোককুমার সিং বলেন, আমাদের প্রসাদ বিতরণের সুখ্যাতি রয়েছে। পুজোয় নবীন প্রজন্ম ধুনুচি নাচ ও ডান্ডিয়া খেলায় মেতে থাকে। সৌরাশিস রায়, শোভনলাল দে জানালেন, অষ্টমীতে ধুনুচি নাচ, নবমীতে ডান্ডিয়া খেলা হয়। তার অপেক্ষায় থাকেন তাঁরা। -নিজস্ব চিত্র