Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

রাজ্যে নতুন পুর এলাকা নির্ধারণের উদ্যোগ আটকে না-হওয়া সেন্সাসে, বিধানসভায় জানালেন মন্ত্রী ফিরহাদ

২০২১ থেকে পিছিয়ে পিছিয়ে শেষমেশ ২০২৭ সালে হতে চলেছে জাতীয় জনগণনা বা সেন্সাস। কিন্তু জনগণনা করানো নিয়ে কেন্দ্রের টালবাহানার খেসারত দিতে হচ্ছে রাজ্যগুলিকে।

রাজ্যে নতুন পুর এলাকা নির্ধারণের উদ্যোগ আটকে না-হওয়া সেন্সাসে, বিধানসভায় জানালেন মন্ত্রী ফিরহাদ
  • ১৩ জুন, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ২০২১ থেকে পিছিয়ে পিছিয়ে শেষমেশ ২০২৭ সালে হতে চলেছে জাতীয় জনগণনা বা সেন্সাস। কিন্তু জনগণনা করানো নিয়ে কেন্দ্রের টালবাহানার খেসারত দিতে হচ্ছে রাজ্যগুলিকে। ব্যতিক্রম নয় পশ্চিমবঙ্গও। শেষবার জনগণনা হয়েছিল ২০১১ সালে। ফলে বর্তমানে একটি এলাকার জনসংখ্যার সঠিক তথ্য না-থাকায় ব্যাহত হচ্ছে পরিষেবা প্রদানের কাজও। রাজ্যের আর্থিক উন্নতির জেরে বহু শহর ঘেঁষা পঞ্চায়েত এলাকাতেই ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। ওই সূত্রে ওই স্থানগুলিকে পুর এলাকা হিসেবেও ঘোষণা করা যায়। কিন্তু খোলা চোখে বোঝা গেলেও হাতে জনসংখ্যা সংক্রান্ত তথ্য না-থাকায় কাজ করা সম্ভব হচ্ছে না। বৃহস্পতিবার বিধানসভায় ক্ষোভের সঙ্গেই জানান পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম।

Advertisement

বৃহস্পতিবার প্রশ্নোত্তর পর্বে অনেকগুলি পঞ্চায়েত এলাকাকে পুর এলাকা হিসেবে ঘোষণা করা নিয়ে প্রশ্ন আসে। জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘পুরসভা ঘোষণা করতে গেলে অনেকগুলি বিষয় দেখতে হয়। তার মধ্যে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ হল সেখানকার বর্তমান জনসংখ্যা। আবার কৃষিকাজের উপর নির্ভরশীল জনসংখ্যাও খতিয়ে দেখতে হয়। কিন্তু শেষবার সেন্সাস হয়েছিল ২০১১ সালে। তার দশবছর পর, ২০২১ সালে জনগণনা হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকার তা করেনি। এর জন্য জনসংখ্যা সংক্রান্ত সঠিক তথ্য আমাদের হাতে নেই। ফলে এক্ষেত্রে রাজ্যের হাত-পা বাঁধা!’ এই প্রসঙ্গেই এদিন বিধানসভায় বাঁকুড়ার বড়জোড়ার নাম আসে। সাম্প্রতিককালে ওই এলাকার ব্যাপক উন্নয়নের কথা জানিয়ে ফিরহাদ হাকিম আরও জানান, এমন সব এলাকাকে পুরসভা ঘোষণা করার দাবি উঠেছে। কিন্তু সমীক্ষা করতে প্রাথমিকভাবে প্রয়োজন সেন্সাসের সর্বশেষ রিপোর্ট।

সম্পর্কিত সংবাদ