Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

গত বছরে জরিমানা বাবদ দপ্তরের আদায় ৬ কোটি টাকা, জেলায় বিদ্যুৎ চুরি রুখতে অভিযান বাড়ি বাড়ি বসানো হচ্ছে স্মার্ট মিটার

বিগত আর্থিক বছরে বিদ্যুৎ চুরির অভিযোগে জরিমানা করে দপ্তরের ছ’কোটি টাকা লক্ষ্মীলাভ হয়েছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই মিটার ট্যাম্পারিং করে বিদ্যুৎ চুরি চলছিল।

গত বছরে জরিমানা বাবদ দপ্তরের আদায় ৬ কোটি টাকা, জেলায় বিদ্যুৎ চুরি রুখতে অভিযান বাড়ি বাড়ি বসানো হচ্ছে স্মার্ট মিটার
  • ২২ মে, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান: বিগত আর্থিক বছরে বিদ্যুৎ চুরির অভিযোগে জরিমানা করে দপ্তরের ছ’কোটি টাকা লক্ষ্মীলাভ হয়েছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই মিটার ট্যাম্পারিং করে বিদ্যুৎ চুরি চলছিল। দপ্তরের আধিকারিকরা লাগাতার অভিযান চালিয়ে মোটা অঙ্কের টাকা জরিমানা করে। চুরি সম্পূর্ণ বন্ধ করতে স্মার্ট মিটার বসানোর কাজে জোর দিয়েছেন। ইতিমধ্যে প্রায় ১০ হাজার বাড়িতে এই মিটার বসানো হয়েছে। কিছুদিনের মধ্যে আরও এক লক্ষ বাড়িতে সংযোগ দেওয়া হবে। ধাপে ধাপে প্রতিটি বাড়িতে স্মার্ট মিটার বসানো হবে। এই মিটার নিয়ে গ্রাহকদের অনেকের মধ্যেই ভুল ধারণা রয়েছে বলে দপ্তরের অধিকারিকদের দাবি। অনেকেই মনে করছেন এই মিটার বসলে বিদ্যুৎ বিল বেশি আসবে। আবার অনেকের ধারণা, বিল দিতে একদিন দেরি হলে সংযোগ কেটে দেওয়া হবে। 

Advertisement

বিদ্যুৎ দপ্তরের আরএম গৌতম রায় বলেন, এসব ভুল ধারণা। স্মার্ট মিটার বসলে বিদ্যুৎ বিল বেশি আসবে না। যেটুকু বিদ্যুৎ ব্যয় হবে, সেই পরিমাণই বিল দিতে হবে। এই মিটারে গ্রাহকদের সুবিধা হবে। কত পরিমাণ বিদ্যুৎ খরচ হচ্ছে, তা তাঁরা ঘরে বসে দেখতে পাবেন। প্রয়োজন মতো বিদ্যুৎ ব্যবহার করতে পারবেন। অনেকে বাড়িতে থাকেন না। গ্রামে বাড়ি আছে, কর্মসূত্রে বাইরে থাকেন। তাঁদের ক্ষেত্রে কোনও সমস্যা হবে না। বিল দিতে একদিন বা দু’দিন দেরি হলে সংযোগ কাটা হবে না। বিল বেশি দিন বাকি থাকলেও সরকারি কোনও ছুটির দিনে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হবে না। রাতের দিকেও কোন বাড়িতেই বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হবে না। বিল না দিলে শুধুমাত্র অফিস টাইমেই বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন করা হবে।  
দপ্তরের আধিকারিকরা বলেন, বিদ্যুৎ চুরি অনেক কমে যাবে। স্মার্ট মিটার ট্যাম্পারিং করা সহজ নয়। এতে গ্রাহকদের পাশাপাশি বিদ্যুৎ দপ্তরও লাভবান হবে। এই মিটার বসাতে গিয়ে প্রথম দিকে আধিকারিকদের বেগ পেতে হয়। কয়েকটি জায়গায় বিক্ষোভ হয়। এখন অনেকেই বিষয়টি বুঝেছেন। মিটার বসাতে গিয়ে তেমন সমস্যা হচ্ছে না। সমস্ত সরকারি প্রতিষ্ঠানেও এই মিটার বসানো হবে। ধাপে ধাপে সমস্ত এলাকায় মাটির তলায় কেবল তার বসানো হবে। বর্ধমান শহরে এই কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। গ্রামীণ এলাকাগুলিতেও এই কাজে জোর দেওয়া হয়েছে। শহর থেকে কাজ শুরু হয়েছে। স্মার্ট মিটার বসানোর কাজও শহর থেকেই চলছে। পরে গ্রামের প্রতিটি বাড়িতেও এই কাজ হবে। এই কাজ সম্পূর্ণ হলে জরিমানা করার সুযোগ অনেক কমে যাবে। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ