Bartaman Logo
২৯ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

জলঢাকা ও ডায়নার মিলনস্থলে সেতুর দাবি বহু বছরের, কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে জানাবেন এমপি

সমীক্ষা হয়ে গিয়েছে অনেক বছর আগে। তারপর আজও নাগরাকাটার জলঢাকা মাঝিয়ালি বস্তির কাছে ডায়না ও জলঢাকা নদীর মিলনস্থলে সেতুর নির্মাণ কাজ শুরুই হল না।

জলঢাকা ও ডায়নার মিলনস্থলে সেতুর দাবি বহু বছরের, কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে জানাবেন এমপি
  • ১১ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, নাগরাকাটা: সমীক্ষা হয়ে গিয়েছে অনেক বছর আগে। তারপর আজও নাগরাকাটার জলঢাকা মাঝিয়ালি বস্তির কাছে ডায়না ও জলঢাকা নদীর মিলনস্থলে সেতুর নির্মাণ কাজ শুরুই হল না। সেতুটি হলে বীরপাড়া, গয়েরকাটা থেকে রামশাই ও লাটাগুড়ি হয়ে শিলিগুড়ির দূরত্ব ৪৫ কিমি কমে যাবে। এতে সময় এবং খরচ দুই বাঁচবে। তেমনই পর্যটকদের জন্যও একটি নতুন পথ খুলে যাবে। চার-পাঁচ বছর ধরে বিষয়টি ঝুলে থাকায় সেতুর দাবি নিয়ে আন্দোলনকারী সংগঠন মধ্য ডুয়ার্স উন্নয়ন মঞ্চ ব্যাপক ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। যদিও আলিপুরদুয়ারের এমপি মনোজ টিগ্গা জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে তিনি কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করবেন। 

Advertisement

নাথুয়ার বাসিন্দা তথা মধ্য ডুয়ার্স উন্নয়ন মঞ্চের চেয়ারম্যান বীরেন্দ্র চন্দ সোম বলেন, সমীক্ষা হয়ে যাওয়ার পরও ডায়না ও জলঢাকা নদীর সঙ্গমস্থলে উপর সেতু হল না। আমরা সেতুর দাবি নিয়ে বহুদিন ধরে আন্দোলন করছি। সেতুটি হলে শিলিগুড়ির দূরত্ব অন্তত ৪৫ কিমি কমে যাবে। আমরা চাই, কেন্দ্র কিংবা রাজ্য উদ্যোগী হোক কাজটি করতে। 
ফোরাম অব ট্রেডার্স অর্গানাইজেশনস অব পশ্চিমবঙ্গের সাধারণ সম্পাদক রবীন্দ্রনাথ কোলে বলেন, একটি মিটিংয়ে আমি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিষয়টি জানিয়েছিলাম। তিনি মুখ্যসচিবকে বিষয়টি দেখতে বলেছেন। জলপাইগুড়ি ডিএম অফিস থেকে এর ডিপিআর করার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানতে পেরেছি। আমরা আশাবাদী, সরকার সেতুটি তৈরি করবে। আলিপুরদুয়ারে বিজেপি সাংসদ বলেন, কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণমন্ত্রীর সঙ্গে এ ব্যাপারে দিল্লিতে গিয়ে কথা বলব। আমরাও সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে চাই দ্রুত সেতু নির্মাণ হোক। 
অসম থেকে খুব কম সময়ে আলিপুরদুয়ার, বীরপাড়া, গয়েরকাটা হয়ে নাথুয়া আসা যায়। নাথুয়ার পাশেই জলঢাকা মাঝিয়ালি বস্তি। সেখানেই আছে ডায়না এবং জলঢাকা নদীর মিলন স্থল। এই দুই নদীর উপর একটি সেতু তৈরি হলেই শিলিগুড়ির দূরত্ব প্রায় এক থেকে দেড় ঘণ্টা কমে যাবে। ডায়না ও জলঢাকার মিলনস্থলটি বানারহাট, ধূপগুড়ি ও ময়নাগুড়ি ব্লকের মধ্যে পড়ছে। নদীর উল্টো দিকে আছে রামশাই, পানবাড়ি। সেখান  থেকে সাত কিমি দূরেই লাটাগুড়ির ক্রান্তি মোড়। এরপর তিস্তার বাঁ-হাতি খাল লাগোয়া আছে ঝাঁ চকচকে রাস্তা। সেই রাস্তা ধরে গজলডোবা হয়ে সোজা শিলিগুড়ি পৌঁছে যাওয়া সহজ হবে। 
বর্তমানে গয়েরকাটা থেকে ধূপগুড়ি হয়ে শিলিগুড়ি যেতে হলে প্রায় ১০০ কিমি পথ অতিক্রম করতে হয়। সেখানে সেতু হলে মাত্র ৫৫ কিমি গেলেই শিলিগুড়ি। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ