Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

তেহট্ট মহকুমা হাসপাতালের অক্সিজেন প্ল্যান্ট বিশবাঁও জলে

তেহট্ট মহকুমা হাসপাতালে প্ল্যান্টের উদ্বোধন হলেও এখনও তৈরি হচ্ছে না অক্সিজেন

তেহট্ট মহকুমা হাসপাতালের অক্সিজেন প্ল্যান্ট বিশবাঁও জলে
  • ২৭ মার্চ, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, তেহট্ট: তেহট্ট মহকুমা হাসপাতালে প্ল্যান্টের উদ্বোধন হলেও এখনও তৈরি হচ্ছে না অক্সিজেন। রোগীদের পরিষেবা দিতে বাধ্য হয়ে বাইরে থেকে তা কিনতে হচ্ছে। অক্সিজেন প্ল্যান্টে বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকায় এই সমস্যা। দুর্ভোগে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ থেকে রোগীর পরিজনরা।

Advertisement

হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, বছর দেড়েক আগে তেহট্ট মহকুমা হাসপাতালে লক্ষাধিক টাকা ব্যয়ে তৈরি হয় অক্সিজেন প্ল্যান্ট। প্রশাসনিক আধিকারিকদের উপস্থিতিতে ঢাকঢোল পিটিয়ে উদ্বোধনও করা হয়। কিন্তু আজ পর্যন্ত চালু হয়নি অক্সিজেন উৎপাদন।  মহকুমার ছ’টি থানা ও চারটি ব্লক সহ মুর্শিদাবাদ জেলার একাংশের মানুষ তেহট্ট হাসপাতালের উপর নির্ভরশীল। হাসপাতালে ভর্তি থাকা রোগীর সংখ্যাও সবসময় যথেষ্ট বেশি। অনেক রোগীকেই অক্সিজেন দিতে হয়। সেই কথা মাথায় রেখে রাজ্য সরকার করোনার সময় এই হাসপাতালে অক্সিজেন প্ল্যান্টের অনুমোদন দেয়। সেইমতো অক্সিজেন প্ল্যান্টের প্রথম দফার কাজ শুরু হয়। কিন্তু এই কাজ পাওয়া সংস্থা তা শেষ না করেই চলে যায়। পরে প্রাক্তন সুপারের উদ্যোগে আবার অক্সিজেন প্ল্যান্টের কাজ শুরু হয়। সুপার সহ অন্যান্য আধিকারিকরা  সেই অক্সিজেন প্ল্যান্টের উদ্বোধন করেন। কিন্তু বিদ্যুৎ সংযোগের কোনও ব্যবস্থা না হওয়ায় অক্সিজেন উৎপাদন হচ্ছে না। প্ল্যান্টের জন্যই বিভিন্ন বিভাগের প্রতিটি বেডে অক্সিজেনের পাইপ লাইনের ব্যবস্থা করা হয়। প্ল্যান্টের মাধ্যমে না পাওয়া গেলেও কেনা অক্সিজেন পাইপ লাইনের মাধ্যমে আপাতত সরবরাহ করা হচ্ছে। তবে সেটাও ব্যয় সাপেক্ষ। মহকুমা হাসপাতালে বিভাগের সংখ্যা বাড়ছে। আনা হচ্ছে আধুনিক যন্ত্রপাতিও। এইসব যন্ত্রপাতি চালাতে পর্যাপ্ত পরিমাণে বিদ্যুতের প্রয়োজন। কিন্তু হাসপাতালে যে বিদ্যুৎ সংযোগ রয়েছে, তাতে লোড টানতে সমস্যা হয়। ফলে অক্সিজেন প্ল্যান্টের লোড টানা সম্ভব হচ্ছে না। এক্ষেত্রে আলাদা করে হাসপাতালের নিজস্ব সাবস্টেশন প্রয়োজন। সাবস্টেশন তৈরি করতে কোটি টাকার উপরে খরচ। সরকারিভাবে সেটি তৈরির অনুমোদন এখনও পাওয়া যায়নি। প্ল্যান্ট ব্যবহার না হলে তা খারাপ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই মাঝেমধ্যে বাড়তি তেল খরচ করে জেনারেটরের মাধ্যমে প্ল্যান্টের মেশিন চালানো হয়।তেহট্ট মহকুমা হাসপাতালের সুপার বাপ্পাদিত্য ঢালি বলেন, সাবস্টেশন তৈরির জন্য বিদ্যুৎদপ্তর কোটেশন দিয়েছে। তার জন্য স্বাস্থ্যদপ্তরে টাকা চাওয়া হয়েছে। টাকা পেলেই বিদ্যুৎদপ্তর কাজ শুরু করবে। তখন এই অক্সিজেন প্ল্যান্ট চালু হবে।  প্রতীকী চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ