সংবাদদাতা, নাগরাকাটা: ইডি’র হানার পর নাগরাকাটা ব্লকের তন্ডু চা বাগানের শ্রমিকরা শঙ্কিত। শনিবার শ্রমিকরা হুঙ্কার দেন, মালিক গ্রেপ্তার হলে কিংবা বাগান বন্ধ হলে তাঁরা ১৭ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরুদ্ধ করে রাখবেন। বিকেলে বাগানে গেট মিটিং করে একথা জানান তাঁরা।
সংবাদদাতা, নাগরাকাটা: ইডি’র হানার পর নাগরাকাটা ব্লকের তন্ডু চা বাগানের শ্রমিকরা শঙ্কিত। শনিবার শ্রমিকরা হুঙ্কার দেন, মালিক গ্রেপ্তার হলে কিংবা বাগান বন্ধ হলে তাঁরা ১৭ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরুদ্ধ করে রাখবেন। বিকেলে বাগানে গেট মিটিং করে একথা জানান তাঁরা।
শুক্রবার সামসিং ও তন্ডু চা বাগানে ইডি’র ছ’জন অফিসার তদন্তে আসেন। ম্যানেজার, সহকারী ম্যানেজার সহ স্টাফদের মোবাইল ফোন তাঁরা নিজেদের হেফাজতে নেন। বাগানের যাবতীয় নথিপত্র খতিয়ে দেখেন অফিসাররা। ৯ জুন বাগানের বর্তমান মালিক ঋত্বিক ভট্টাচার্যকে কলকাতায় ডেকে পাঠিয়েছেন। আর এ খবর ছড়িয়ে পড়তেই শ্রমিকদের মধ্যে ফের বাগান বন্ধের আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। শুক্রবার বাগানের কাজকর্ম লাটে উঠেছিল। শনিবার শ্রমিকদের মধ্যে ইডি’র হানা নিয়ে দিনভর চলে চর্চা। কাজের শেষে বিকেলে শ্রমিকরা নিজেদের মধ্যে বৈঠক করেন। বাগানের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন। সেখানেই সিদ্ধান্ত হয়, চা বাগান যদি বন্ধের পরিস্থিতি তৈরি হয় তাহলে তাঁরা জাতীয় সড়ক অবরুদ্ধ করে রাখবেন।
বাগানের শ্রমিক হেমা মাঝি, প্রতিমা ওরাওঁ প্রমুখ বলেন, এমনিতেই বেশ কয়েকবার এই চা বাগান বন্ধ হয়েছিল। আমাদের চা বাগানের কাজ ছাড়া আর কিছু নেই। বাগান বন্ধ হয়ে গেলে কী খাব? আগে বাগানের দায়িত্বে ছিলেন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী জেলবন্দি পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ প্রসন্ন রায়। পার্থ গ্রেপ্তারের পর প্রসন্নও গ্রেপ্তার হয়। পরবর্তীতে একজন মালিক এলেও তিনি সফলভাবে বাগান পরিচালনা করতে পারছিলেন না। এরপর বাগানের দায়িত্ব নেন ঋত্বিকবাবু। বাগান এখন সুষ্ঠুভাবে চলছে। বর্তমান মালিক জানিয়েছেন, ইডি’র অফিসে নথিপত্র নিয়ে দেখা করতে বলা হয়েছে। সেখানে যাওয়া হবে।