Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

টেলিমেডিসিনে রাজ্যে সেরা বর্ধমান মেডিক্যাল, মডেল হিসেবে তুলে ধরতে উদ্যোগী স্বাস্থ্যভবন

টেলিমেডিসিন পরিষেবায় সাফল্য পেল বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল।

টেলিমেডিসিনে রাজ্যে সেরা বর্ধমান মেডিক্যাল, মডেল হিসেবে তুলে ধরতে উদ্যোগী স্বাস্থ্যভবন
  • ১৯ জুন, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, বর্ধমান: টেলিমেডিসিন পরিষেবায় সাফল্য পেল বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল। রাজ্যের মধ্যে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল প্রথম স্থান অধিকার করেছে। মঙ্গলবার স্বাস্থ্যভবন থেকে এক প্রতিনিধি দল বর্ধমান মেডিক্যালে টেলিমেডিসিন পরিষেবার ভিডিও তুলে নিয়ে যায়। সেই সঙ্গে হাসপাতালের চিকিৎসক ও কর্তাদের সাক্ষাৎকার নেন প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। জানা গিয়েছে, টেলিমেডিসিন পরিষেবায় বর্ধমান হাসপাতাল কীভাবে কাজ করেছে তা সারা রাজ্যে তুলে ধরার জন্যই এই উদ্যোগ।

Advertisement

প্রথমে কোভিড পর্বে এবং পরবর্তীতে ২০২২সালের মে মাস থেকে বর্ধমান মেডিক্যালে টেলিমেডিসিন পরিষেবা শুরু হয়। রাজ্য সরকারের এই প্রজেক্টের নাম ‘স্বাস্থ্য ইঙ্গিত’। সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বর্ধমান সহ রাজ্যের ১৮টি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে এই পরিষেবা শুরু হয়। এখন এই পরিষেবার নাম হয়েছে স্বাস্থ্য ইঙ্গিত ২.০। বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের নতুন বিল্ডিংয়ের তিনতলায় এই পরিষেবা শুরু হয়। এখানে বসেই সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত পরিষেবা দেন মেডিসিন, সার্জারি, গাইনি, শিশু, চোখ, নাক কান গলা, মানসিক, ডার্মাটোলজি, অর্থোপেডিক মিলিয়ে ন’টি বিভাগের চিকিৎসকরা। দু’টি শিফটে তাঁরা কাজ করেন। রবিবার বন্ধ থাকে এই পরিষেবা। 
বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে এই প্রকল্পের নোডাল অফিসার চিকিৎসক ঋতম রায় বলেন, টেলিমেডিসিন পরিষেবায় সরাসরি অন্তর্ভুক্ত হতে পারেন না রোগী বা তাঁর পরিজনরা। এই পরিষেবায় কাজ করেন ব্লকে থাকা কমিউনিটি হেলথ অফিসার(সিএইচও)। প্রতিদিন গ্রামীণ স্বাস্থ্যকেন্দ্র বা সুস্বাস্থ্য কেন্দ্রে আসা রোগীদের কেস হিস্ট্রি তাঁরা বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে টেলিমেডিসিনে থাকা বিশেষজ্ঞদের কাছে পাঠান। হাসপাতাল থেকে পরামর্শ দেওয়া হয়। প্রয়োজনে রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে আসার কথাও বলা হয়। অডিও ভিস্যুয়াল মাধ্যমে চলে পরিষেবা। গড়ে প্রতিদিন প্রায় এক হাজার জন রোগী এই সহায়তা পান। মঙ্গলবারও ১০৭৬জন রোগী এই পরিষেবা থেকে উপকৃত হয়েছেন। এত বেশি সংখ্যক মানুষকে নিরবচ্ছিন্নভাবে পরিষেবা দিয়েই মিলেছে সাফল্য। এই প্রকল্প শুরু হওয়ার প্রথম মাসেই সেরা হয়েছিল বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল। তারপর ধারাবাহিকভাবে সাফল্য ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছি আমরা।
বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সুপার তাপস ঘোষ বলেন, চিকিৎসকরা দু’টি শিফটে আন্তরিকতার সঙ্গে এই পরিষেবা দিয়ে চলেছেন। তাই রাজ্যের মধ্যে আমরা দীর্ঘদিন ধরেই প্রথম স্থানে রয়েছি। আমাদের কাজ রাজ্যে মডেল হিসেবে তুলে ধরতে স্বাস্থ্যভবনের প্রতিনিধি দল এসে সমস্ত ছবি, ভিডিও নিয়ে গিয়েছে। যা আমাদের কাছে বড় প্রাপ্তি।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ