Bartaman Logo
১১ জুন, ২০২৬
বর্তমান / চতুষ্পর্ণী

স্টা‌ইলিশ ক্লাচ

মা আসছেন। বাঙালির সব পার্বণের সেরা দুর্গাপুজোর আর মাত্র মাস দুয়েক বাকি। পোশাকের ট্রেন্ড, জুতোর স্টাইলের পাশাপাশি আবার মানাসই ক্লাচ, বটুয়া ‌ইত্যাদিও চাই।

স্টা‌ইলিশ  ক্লাচ
  • ১৯ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

পুজো মানেই ভরপুর সাজগোজ। পোশাকের সঙ্গে মানানসই ব্যাগও চাই। নাহলে সাজ সম্পূর্ণ হবে না।

Advertisement

মা আসছেন। বাঙালির সব পার্বণের সেরা দুর্গাপুজোর আর মাত্র মাস দুয়েক বাকি। পোশাকের ট্রেন্ড, জুতোর স্টাইলের পাশাপাশি আবার মানাসই ক্লাচ, বটুয়া ‌ইত্যাদিও চাই। তারই কয়েকরকম হদিশ জানালেন ডিজাইনার মোনাল সিং। তাঁর কথায় কলকাতায় ‘দুর্গাপুজোর চার দিন সকাল বিকেল নানারকম পোশাক পরার চল। সেই মতোই নানাবিধ স্টাইলিশ ক্লাচ, বটুয়া, পার্স এসেছে বাজারে।’
বন্ধ খাম
এই ধরনের পার্সের মুখটা খামের মতো তেকোনা। পার্সের উপরের অংশের অর্ধেকটা মোটামুটি ফ্ল্যাপের আকারে বন্ধ থাকে একটা ম্যাগনেটিক বোতাম দিয়ে। আকৃতিতে একটু বড় সাইজের খামের মতো হয় বলেই পোশাকি নাম এনভেলপ পার্স। এই পার্সগুলোর ফ্যাব্রিক ও ডিজাইন নানারকম হয়। ভেলভেট, স্যাটিন, সিল্ক, কর্ড, কটন ইত্যাদি পাবেন ফ্যাব্রিকের মধ্যে। তার উপর সুতোর কাজ থাকে, যেমন কাঁথা স্টিচ, গুজরাতি স্টিচ ইত্যাদি। অনেক সময় পার্শি, কাশ্মীরি ওয়ার্কও করা হয়। এছাড়া রঙিন অ্যাপলিক, মিরর ওয়ার্ক ইত্যাদিও করা হয়। এই পার্স শাড়ি ও ইন্ডিয়ান এথনিক পোশাকের সঙ্গে সবচেয়ে মানানসই। পার্সের রং ও নকশা যদি একটু জমকালো হয় তাহলে তা সান্ধ্যকালীন আউটিংয়ে একটু ঝলমলে পোশাকের সঙ্গে নিতে পারেন। 
রিস্টলেট ক্লাচ
এই ডিজাইনটা ওয়েস্টার্ন পোশাকের সঙ্গে সবচেয়ে বেশি মানানসই। এগুলো সাধারণত অ্যাবস্ট্র্যাক্ট শেপে তৈরি হয়। তেকোণা, ওভাল, গোল অথবা অন্য কোনও শেপ। এই ধরনের ক্লাচের একটা শক্ত ফ্রেম থাকে। আর ফ্যাব্রিকের ক্ষেত্রে লেদার, ভেলভেট, স্যাটিন ইত্যাদি পাবেন। পার্ল এমবসিং, সিলভার স্ট্রাইপ, স্টোনওয়ার্ক, বিডওয়ার্ক ইত্যাদি পাবেন এই ধরনের ক্লাচে। পেনসিল স্কার্ট, প্যান্ট স্যুট, জিনস টপ ড্রেস ইত্যাদির সঙ্গে এই ধরনের ক্লাচ খুবই ভালো লাগে। রঙের ক্ষেত্রে গোল্ডেন, সিলভার, কপারের পাশাপাশি মেরুন, শিমারি রেড (চকচকে লাল), ল্যাভেন্ডার, পেস্তা নানারকম পাবেন। এই ক্লাচগুলোর মুখের কাছে একটা ছোট ব্যান্ড বা স্ট্র্যাপ থাকে। তাতে তা কব্জি থেকে ঝোলানো যায়। রিস্ট বা কব্জি থেকে ঝোলানোর বন্দোবস্ত থাকে বলেই এগুলো নাম রিস্টলেট ক্লাচ। নবমীর দিন সন্ধেবেলা বা দশমীর সকালের ঠাকুর দেখার জন্য এই ধরনের ক্লাচ হিট। সপ্তমীর সন্ধ্যায় যদি ওয়েস্টার্ন ড্রেস পরার প্ল্যান থাকে তাহলে সেদিনও সঙ্গী হতে পারে রিস্টলেট ক্লাচ।  
স্টাইলিশ বটুয়া
ফ্যাশনে আবার ফিরে এসেছে বটুয়া। নানা রং, ছোট এবং বড় মাপে পাবেন এগুলো। বেনারসি কাপড়, ব্রোকেডের কাজ, মুক্তো বসানো, বিভিন্ন ধরনের স্টোন লাগানো বটুয়া শাড়ি বা ভারতীয় যে কোনও পোশাকের সঙ্গেই মানিয়ে যাবে। শাড়ির সঙ্গে মিলিয়ে মিশিয়ে নানারকম রঙে পাবেন। আর্কষণীয় নকশার এই ব্যাগ পুজোর ফ্যাশনের সঙ্গে দারুণ মানাবে। সিল্কের কাপড়ের উপর জরি বা সোনালি স্যাটিন সুতোর কাজ, ছোট বড় মুক্তো বসানো, বিডস এবং মিরর ওয়ার্ক করা সব ধরনেই পাবেন এগুলো। অষ্টমীর সন্ধ্যায় একটু জমকালো শাড়ি বা সালোয়ার কুর্তা পরলে সঙ্গে নিন একটা স্টাইলিশ বটুয়া।
কমলিনী চক্রবর্তী

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ