প্রীতেশ বসু, কলকাতা: স্ত্রীর নামে জমি রেজিস্ট্রি করে গিয়েছিলেন অসুস্থ স্বামী। যাতে মৃত্যুর পর কোনও সমস্যায় না পড়তে হয় ষাটোর্ধ্ব পূর্ণিমা দেবীকে (নাম পরিবর্তিত)। স্বামীর মৃত্যুর ছ’মাস পর সেই জমি বিক্রি করে পাওয়া টাকায় বৃদ্ধাশ্রমে থাকার সিদ্ধান্ত নেন একাকী বসবাসকারী পূর্ণিমাদেবী। কিন্তু, জমি বিক্রি করতে গিয়ে জানতে পারেন, তাঁর নামে থাকা জমি আগেই বিক্রি হয়ে গিয়েছে! তিনি নিজেই নাকি সেই জমি বিক্রি করেছেন! পরবর্তীকালে জানা যায়, দলিল জাল করে তাঁর সেই জমি বিক্রি করে দিয়েছে অসাধু চক্রের কারবারিরা। পূর্ণিমাদেবী একা নন, ভুয়ো নথি কাজে লাগিয়ে বা কোনও অজ্ঞাত ব্যক্তিকে জমির মালিক সাজিয়ে রমরমিয়ে চলছে আসল মালিককে অন্ধকারে রেখে জমি বিক্রির করবার। বাংলার পশিাপাশি দেশের অন্যান্য রাজ্যেও এই চক্রের ফাঁদে পড়ছে বহু মানুষ। অগত্যা জমির মালিকানা ফিরে পেতে দীর্ঘমেয়াদি আইনি প্রক্রিয়ার ধকল নিতে হচ্ছে আসল মালিককেই। এই সমস্যায় এবার ইতি টানতে উদ্যোগী হল নবান্ন। সূত্রের খবর, রাজ্যের তরফে কেন্দ্রকে একটি প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, প্রশাসনিক স্তরেই কোনও পদস্থ আধিকারিক বা এমন আধিকারিকদের নিয়ে গঠিত কমিটিকে দিয়ে অভিযোগের তদন্ত করিয়ে প্রকৃত মালিককে জমি ফেরানোর আইন চালু করা হোক। এর ফলে আসল মালিক দীর্ঘমেয়াদি আইনি প্রক্রিয়া এড়িয়েই তাঁর জমি দ্রুত ফেরত পাবেন।



