নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সাইবার ক্রাইমের হাত থেকে সাধারণ মানুষকে রক্ষার উপায় নিয়ে বৃহস্পতিবার বিধানসভায় প্রশ্নোত্তর পর্বে একাধিক প্রশ্ন উঠে এল। সম্প্রতি অনলাইনে বিমানের টিকিট কিনে বেশকিছু মানুষ ঠকে গিয়েছেন। মোটা টাকা দিয়ে টিকিট কেটে নির্ধারিত সময়ে বিমানবন্দরে পৌঁছে তাঁরা জানতে পারেন যে তাঁদের টিকিট বুকিংই আদৌ হয়নি! অর্থাৎ, ভুয়ো পোর্টাল বা ওই ধরনের কিছু বানিয়ে টিকিট বুকিংয়ের পুরো টাকাই আত্মসাৎ করেছে প্রতারক চক্র। এই ধরনের দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা এড়াতে তথ্য-প্রযুক্তি দপ্তর কলকাতা পুলিসের জন্য কাজ শুরু করেছে।
এই বিষয়ে আলোচনা চলাকালীনই স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় জানতে চান, শুধু উড়ান নয়, অনলাইনে হোটেল বুকিংয়ের নাম করেও তো মানুষকে ঠকানো হচ্ছে। এটা রুখতে কী করা হচ্ছে, তা অধ্যক্ষ জানতে চান। তিনি বলেন, ‘এক্ষেত্রে বুকিং করার আগে হোটেলের ফোন নম্বর জেনে নিয়ে সেখানে ফোন করে নিলে এমন অনলাইন প্রতারণার হাত থেকে
রেহাই মিলতে পারে।’ বিষয়টি পুলিসকে জানানোরও প্রসঙ্গ ওঠে। তখন অধ্যক্ষ বলেন, ‘অনলাইন বুকিংয়ে প্রতারণা হলে তো গ্রাহকের টাকা চলেই গেল। পরে জানিয়ে কী লাভ? পুলিসের আরও সক্রিয়তা বা তৎপরতা জরুরি।’ এদিন আমতার বিধায়ক সুকান্ত পালের অতিরিক্ত প্রশ্নের উত্তরে সাইবার ক্রাইম সংক্রান্ত হেল্পলাইন নম্বরও বিধানসভায় জানিয়ে দেওয়া হয়। বলা হয় যে, ১৯৩০ নম্বরে ফোন করলেই এই বিষয়ে সাহায্য মিলবে।
এছাড়া, বেঙ্গল সিলিকন ভ্যালিতে ইতিমধ্যেই ব্যাপকভাবে কাজ শুরু হয়েছে বলে জানানো হয়। সাইবার ক্রাইম নিয়েও রাজ্য সরকারি কর্মী ও পুলিস থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষকে প্রশিক্ষিত এবং সজাগ করার জন্য একাধিক পদক্ষেপ করেছে রাজ্য।