Bartaman Logo
২৬ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

রাজ্যে মোট ঋণের পরিমাণ ₹৭.৩৫ লক্ষ কোটিরও বেশি, সামাজিক মাধ্যমে বিস্ফোরক শমীক

পশ্চিমবঙ্গের মোট ঋণ ₹৭.৩৫ লক্ষ কোটি। শমীক ভট্টাচার্য সিএজি রিপোর্টে আর্থিক অনিয়মের তথ্য তুলে ধরেছেন। বিস্তারিত পড়ুন।

রাজ্যে মোট ঋণের পরিমাণ ₹৭.৩৫ লক্ষ কোটিরও বেশি, সামাজিক মাধ্যমে বিস্ফোরক শমীক
  • ২৬ জুলাই, ২০২৬ ১৪:০৮
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: চার বছরের বিরতির পর বৃহস্পতিবার পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল (সিএজি) এর মোট ২৮টি অডিট রিপোর্ট পেশ করা হয়। ২০২০-২১ থেকে ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষের এই রিপোর্টগুলিতে পূর্ববর্তী সরকারের আমলে ত্রাণ বণ্টন-সহ একাধিক ক্ষেত্রে আর্থিক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের তথ্য উঠে এসেছে।

Advertisement

বিধানসভায় রিপোর্ট জমা দেওয়ার কয়েক ঘণ্টা পর সাংবাদিক বৈঠক করেন সিএজি-র পশ্চিমবঙ্গ শাখার শীর্ষ আধিকারিকরা। উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের প্রিন্সিপাল অ্যাকাউন্ট্যান্ট জেনারেল (অডিট-১) বিভু দত্ত বসন্তিয়া, প্রিন্সিপাল অ্যাকাউন্ট্যান্ট জেনারেল (অডিট-২) মনীশ কুমার এবং প্রিন্সিপাল অ্যাকাউন্ট্যান্ট জেনারেল (অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড এনটাইটেলমেন্ট) অনিন্দ্য দাশগুপ্ত। তাঁরা রিপোর্টগুলির গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ ও বিভিন্ন বিষয় বিস্তারিতভাবে সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরেন। সেখানেই খোলাশা হয় আর্থিক অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়গুলি।

আজ রবিবার দুপুরে বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য তাঁর সামাজিক মাধ্যমে এবিষয়ে অরো তথ্য তুলে ধরেন। তিনি লেখেন, '২০২৪-২৫ অর্থবর্ষের সিএজি রিপোর্ট পশ্চিমবঙ্গের আর্থিক অবস্থার একটি উদ্বেগজনক চিত্র তুলে ধরেছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে রাজ্যের রাজস্ব ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ₹৩৯,৭২৭ কোটি, রাজকোষ ঘাটতি ₹৬৪,৪৮৮ কোটি এবং মোট ঋণের পরিমাণ ₹৭.৩৫ লক্ষ কোটিরও বেশি। পাশাপাশি মূলধনী ব্যয় কমে যাওয়া, সুদের ক্রমবর্ধমান বোঝা এবং কেন্দ্রের অর্থায়নে পরিচালিত একাধিক প্রকল্পে বরাদ্দ অর্থের সম্পূর্ণ ব্যবহার না হওয়ার বিষয়ও সামনে এসেছে। ২০১৫-১৬ থেকে ২০২৪-২৫ পর্যন্ত টানা দশ বছর পশ্চিমবঙ্গ রাজস্ব ঘাটতির মধ্যে রয়েছে। একই সঙ্গে দেখা যাচ্ছে, রাজ্যের মোট রাজস্বের প্রায় ৫২ শতাংশই এসেছে কেন্দ্রের সহায়তা থেকে। এই তথ্যগুলো রাজ্যের আর্থিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উত্থাপন করে।' তিনি আরো যোগ করেন 'বাংলার মানুষ তাদের পরিশ্রমের উপার্জন থেকে কর দেন উন্নয়নের প্রত্যাশায়। সেই অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা, অপচয় রোধ করা এবং প্রতিটি সরকারি ব্যয়ের জবাবদিহি প্রতিষ্ঠা করা একটি দায়িত্বশীল প্রশাসনের অন্যতম প্রধান কর্তব্য। বিজেপির লক্ষ্য সুশাসন, আর্থিক শৃঙ্খলা, স্বচ্ছতা এবং জনকল্যাণকে অগ্রাধিকার দিয়ে একটি শক্তিশালী, সমৃদ্ধ ও আত্মনির্ভর বাংলা গড়ে তোলা। দায়িত্বশীল প্রশাসন, কার্যকর উন্নয়ন এবং জনগণের প্রতি পূর্ণ জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বিজেপি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।'

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ