নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: নিম্নচাপের প্রভাবে বৃহস্পতিবার দিনভর দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় ব্যাহত হয় স্বাভাবিক জনজীবন। সমুদ্র উপকূলবর্তী এলাকায় সকাল থেকে দফায় দফায় বৃষ্টি হয়েছে। এদিন দীঘায় সমুদ্রে স্নান করতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল প্রশাসন। ওল্ড দীঘা এবং নিউ দীঘার প্রতিটি ঘাটে হ্যান্ড মাইকে দুর্যোগ নিয়ে পর্যটকদের সচেতন করা হয়। সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত জোয়ারের সময় সমুদ্র উত্তাল ছিল। দুপুর ১টার পর ভাটার সময়ে পর্যটকদের একাংশ নিষেধ উড়িয়ে সমুদ্রে নেমে পড়ে। যদিও সিভিল ডিফেন্স বিভাগের কর্মীরা কিছুক্ষণ পর তাঁদের তুলে দেন। ঘূর্ণাবর্তের প্রভাবে সমুদ্রও বেশ উত্তাল ছিল। তাই ঝুঁকি এড়াতে শুক্রবারও সমুদ্রস্নানে নিষেধ থাকছে। এদিন রামনগর-১বিডিও পূজা দেবনাথ এবং পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি নিতাই সার শঙ্করপুর এলাকা পরিদর্শনে যান। উপকূলবর্তী এলাকায় সব ত্রাণ শিবির আগে থেকেই রেডি রাখা হয়েছে। প্রশাসন পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে। জেলা বিপর্যয় ব্যবস্থাপন অফিসে ইন্টিগ্রেটেড কন্ট্রোলরুম খোলা হয়েছে। বিদ্যুৎ বণ্টন, পিএইচই, স্বাস্থ্য, পূর্ত ও সেচ প্রভৃতি দপ্তরের অফিসাররা ও ইঞ্জিনিয়াররা তিনটি শিফ্টে কন্ট্রোল রুমে থাকছেন। কোথাও কোনও সমস্যা রয়েছে কি না, সেটা সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে জেনে নিচ্ছে জেলা প্রশাসন। এছাড়াও জেলার ২৫টি ব্লকে কন্ট্রোল রুম খোলা রয়েছে। পরিস্থিতির দিকে নজর রেখে ফেরি চলাচলের সিদ্ধান্ত নিতে বলা হয়েছে মহকুমা শাসকদের। বৃহস্পতিবার সেভাবে ঝড় না থাকায় ফেরি সার্ভিস স্বাভাবিক ছিল। শুক্রবারও ভারী বৃষ্টির সতর্কতা রয়েছে। সেইমতো কৃষি, উদ্যানপালন ও মৎস্য দপ্তর প্রতিটি ব্লকে বার্তা পাঠিয়েছে।



