সংবাদদাতা, রামপুরহাট: ‘বর্তমান’ এর খবরের জেরে নড়েচড়ে বসল প্রশাসন। তারাপীঠের ঐতিহ্যবাহী পূর্বসাগর ও রামপুরহাট শহরের কলাবাগান পুকুরের পুরনো তথ্য ঘেঁটে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে তদন্তে নামলেন খোদ মহকুমাশাসক তথা টিআরডিএর সিইও সৌরভ পান্ডে। তিনি বলেন, ভরাটের অভিযোগ পাওয়ার পর কোনও কোনও জায়গায় নির্মাণকাজ বন্ধ হয়েছে। তারপর কী অ্যাকশন নেওয়া হয়েছে তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তারাপীঠে প্রশাসনের নাকের ডগায় ঐতিহ্যবাহী পুরনো পূর্বসাগর পুকুর ভরাট চলছে। বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান নির্মাণের জন্য অবৈধভাবে এই ভরাট কাজ চলছে বলে অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের। দীর্ঘদিন ধরে ধীরে ধীরে ভরাট চললেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনও হেলদোল নেই। অভিযোগের ভিত্তিতে লোকদেখানো মাপজোক ও ভরাটকারীদের আগের অবস্থায় পুকুরটি ফিরিয়ে আনতে নোটিসের পর নোটিস দিয়ে দায় সেরেছে রামপুরহাট-২ ব্লক ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তর। তিন বছর ধরে একটু একটু করে নোংরা-আবর্জনা ফেলে পুকুরটি ভরাট অব্যাহত রয়েছে। তাতেই অন্য গন্ধ পাচ্ছেন তারাপীঠের বাসিন্দারা। গত ৩সেপ্টেম্বর পূর্বসাগর বাঁচাতে ডাকযোগে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি দেন তারাপীঠের পাল ও পান্ডাপাড়ার বাসিন্দারা। তাঁদের মতে, কিছু ব্যক্তি লোভের বশবর্তী হয়ে দিনের পর দিন মাটি ও নোংরা আর্বজনা ফেলে পুকুরটি বন্ধ করে দিচ্ছেন। বাস্তুজমিতে রূপান্তরিত করতে পারলে মোটা দামে বিক্রি করা যাবে।



