সংবাদদাতা, রামপুরহাট: গত বৃহস্পতিবার থেকে রামপুরহাটে কখনও ভারী, কখনও হাল্কা বৃষ্টি হচ্ছে। যার জেরে জলমগ্ন হয়ে পড়ছে শহরের গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা। যা নিয়ে ক্ষোভ বাড়ছে শহরবাসীর মধ্যে। এই পরিস্থিতিতে জল বের করতে রবিবার ধুলোডাঙা রোড কাটা হল। যার জেরে ওই রাস্তায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে। সেইসঙ্গে পাম্প চালিয়ে জমা জল বের করার উদ্যোগ নিল পুরসভা। দু’দিন আগেই ধুলেডাঙা রোডের হনুমান মন্দির সংলগ্ন এলাকায় নিকাশি নালার উপর অবৈধ নির্মাণ ভেঙে দিয়েছে পুরসভা। তারপরও ওই রাস্তায় জল জমছে। চেয়ারম্যান সৌমেন ভকত বলেন, ধুলোডাঙা রোডের মাঝ বরাবর কেটে হিউম পাইপ বসিয়ে দেওয়া হবে। যাতে জমা জল ওই পাইপের মাধ্যমে সরাসরি কাঁদরে পড়ে। সেইসঙ্গে ওখানে থাকা কালভার্ট মজে গিয়েছে। সেটি ভেঙে নতুন করে কালভার্ট তৈরি করা হবে।
আজ, মঙ্গলবার শহরের নিকাশি ব্যবস্থা সংক্রান্ত বিষয়ে সমস্ত কাউন্সিলারদের নিয়ে বৈঠকে বসতে চলেছেন স্থানীয় বিধায়ক আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, শহরে জল জমার সমস্যা নিয়ে কাউন্সিলারদের নিয়ে বৈঠক করব। এটা যেমন শহরের সমস্যা, তেমনই রামপুরহাট-১ ব্লকও যুক্ত রয়েছে। কেন জল জমছে সেব্যাপারে এমইডিকে সার্ভে করার জন্য চিঠিও দেব। পাশাপাশি বিষয়টি নিয়ে পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের সঙ্গেও কথা বলব।
পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, এখনই ধুলোডাঙা রোডে স্থায়ী কালভার্ট হচ্ছে না। রাস্তার কাটা অংশে হিউম পাইপ বসিয়ে হাল্কা যান চলাচলের ব্যবস্থা করা হবে। বৃষ্টি থামার পর কয়েকদিন চড়া রোদ দেখে সেই কালভার্ট নির্মাণের কাজে হাত লাগাবে পুরসভা। যদিও শহরবাসীর একাংশের বক্তব্য, জলনিকাশির অন্যতম মাধ্যম কাঁদর। শুধু পরিষ্কার করলেই হবে না। পলি তুলে ফেলে কাঁদরের গভীরতা বাড়ানোর দাবি তুলেছেন তাঁরা। সেক্ষেত্রে টিআরডিএকে এগিয়ে আসার আবেদন জানিয়েছেন। সেই সঙ্গে নিকাশি নালার উপর অবৈধ নির্মাণ ভেঙে ফেলতে পুরসভার কঠোর মনোভাব দেখানো উচিত বলে তাঁরা মনে করছেন। -নিজস্ব চিত্র