Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

কান্দি পুরসভার নাগরিক পরিষেবায় খুশি বাসিন্দারা

রাস্তাঘাট ঝাঁ চকচকে। রোজ তিনবার পানীয় জল সরবরাহ হচ্ছে

কান্দি পুরসভার নাগরিক পরিষেবায় খুশি বাসিন্দারা
  • ৪ এপ্রিল, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, কান্দি: রাস্তাঘাট ঝাঁ চকচকে। রোজ তিনবার পানীয় জল সরবরাহ হচ্ছে। বড় রাস্তা থেকে শুরু করে শহরের অলিগলি তিনবেলা সাফাই করা হচ্ছে। নতুন পথবাতি বসানো হয়েছে। কান্দি পুরসভার এমন নাগরিক পরিষেবায় খুশি শহরের বাসিন্দারা। কান্দি পুরসভার চেয়ারম্যান জয়দেব ঘটক বলেন, আমরা শহরবাসীকে সর্বোচ্চ নাগরিক পরিষেবা দিতে বাধ্য। বাস্তবে সেটাই করে দেখাতে চাইছি। আগামী দিনে নাগরিক পরিষেবার পরিধি আরও বাড়তে চলেছে।

Advertisement

একদশক আগেও কান্দি শহরের বাসিন্দারা নাগরিক পরিষেবা নিয়ে বিস্তর অভিযোগ তুলতেন। মাঝেমধ্যেই সাফাইকর্মীরা ধর্মঘট ডেকে বসতেন। শহরে আবর্জনার স্তূপ জমে থাকত। পানীয় জলেরও চরম সঙ্কট দেখা দিত। পথবাতির অভাবে সন্ধ্যা হলেই শহরের বেশ কিছু এলাকা অন্ধকারে ঢেকে যেত। রাস্তাঘাট একবার বেহাল হয়ে পড়লে কবে মেরামত হবে-তার ঠিক থাকত না।
তবে গত কয়েকবছরে নাগরিক পরিষেবার ব্যাপক উন্নতি হয়েছে। পানীয় জলের সমস্যা মিটেছে। শহরের গলির রাস্তাও ম্যাস্টিক করা হয়েছে। শহরের গুরুত্বপূর্ণ এলাকা সৌন্দর্যায়ন ও প্রতিটি রাস্তায় আলোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। আগে দিনে দু’বার করে জল সরবরাহ হতো। এখন সকাল-সন্ধ্যায় তো বটেই, দুপুরেও পাইপলাইনের মাধ্যমে প্রতিটি বাড়িতে জল সরবরাহ করা হয়। যেখানে পাইপলাইনের মাধ্যমে জল সরবরাহ সম্ভব নয়, সেখানে সাবমার্সিবল পাম্প বসিয়ে জল দেওয়া হচ্ছে। শহরে মিনি সাবমার্সিবলের সংখ্যা প্রায় ২০০।
কয়েকবছর আগেও রোজ সকালে একবার মাত্র শহরে সাফাইয়ের কাজ হতো। এখন সকাল, বিকেল ও রাতে-মোট তিনবার আবর্জনা সাফাই চলছে।
পুরসভা জানিয়েছে, গত একবছরে প্রায় দেড় কোটি টাকায় শহরের ১৮টি ওয়ার্ডের বিভিন্ন রাস্তা সংস্কার হয়েছিল। কয়েকলক্ষ টাকা খরচে বিভিন্ন রাস্তায় নতুন করে আলোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। শহর পরিষ্কার রাখতে প্রতিটি বাড়িতে দু’টি করে আবর্জনা রাখার বালতি দেওয়া হয়েছে। সাফাইকর্মীরা রোজ বাড়ি বাড়ি আবর্জনা সাফাই করছেন।
সহিসপাড়ার প্রবীণ বাসিন্দা আলিমুদ্দিন আলি বলেন, পরিষেবা নিয়ে আমাদের কোনও অভিযোগ নেই। যা চেয়েছি, তার থেকে বেশি পেয়েছি। এই এলাকায় বহুবছর পর রাস্তায় পথবাতি বসানো হয়েছে।
পেশায় স্কুলশিক্ষক তন্ময় ভট্টাচার্য বলেন, রাস্তা, আলো, পানীয় জল, স্বাস্থ্য পরিষেবার বিষয়ে পুরসভা যে কাজ করে দেখিয়েছে-তা প্রশংসার যোগ্য। এমন একটি শহরে বাস করতে পেরে আমরা গর্বিত।
কান্দির বিধায়ক অপূর্ব সরকার বলেন, আমরা মানুষের যে ভালোবাসা পেয়েছি, পরিষেবার মাধ্যমে তার মর্যাদা দেওয়ার চেষ্টা করে চলেছি।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ