লখনউ: মানহানি মামলায় জামিন পেলেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। ভারতীয় সেনা সম্পর্কে অবমাননাকর মন্তব্যের অভিযোগে দায়ের মামলায় কংগ্রেস সাংসদকে জামিন দিয়েছে লখনউয়ের এমপি-এমএলএ স্পেশাল কোর্ট। এর আগে পাঁচবার সমন এড়িয়ে যাওয়ার পর মঙ্গলবার আদালতে হাজির হয়েছিলেন রাহুল। শুনানিতে জামিনের আবেদন করেন তাঁর আইনজীবীরা। গত মে মাসে এই মামলায় এলাহাবাদ হাউকোর্টের লখনউ বেঞ্চে জামিনের আবেদন করেন রায়বরেলির সাংসদ। কিন্তু সেখানে স্বস্তি মেলেনি। এদিন কুড়ি হাজার টাকার দু’টি বন্ডে রাহুলের জামিন মঞ্জুর করেন বিচারক অলোক ভার্মা। উল্লেখ্য, ২০২২ সালের ১৬ ডিসেম্বরে রাজস্থানে সাংবাদিক বৈঠকে রাহুল বলেন, ‘ভারত জোড়ো যাত্রা, অশোক গেহলট ও শচীন পাইলটকে নিয়ে অনেক চর্চা চলছে। কিন্তু চীন ভারতীয় ভূখণ্ডের দু’হাজার বর্গকিলোমিটার এলাকা দখল করে রেখেছে। আমাদের সেনারা তাদের হাতে মার খাচ্ছেন। কিন্তু এনিয়ে কেউ কোনও প্রশ্ন উঠছে না। এমনকী সংবাদমাধ্যমও নয়। কিন্তু মানুষ কিছুই জানে না, এটা ভাবার কারণ নেই।’ রাহুলের এই মন্তব্য সেনা সম্পর্কে অবমাননাকর দাবি করে মামলা দায়ের করেছিলেন বর্ডার রোডস অর্গানাইজেশনের প্রাক্তন ডিরেক্টর উদয়শঙ্কর শ্রীবাস্তব। এদিন বম্বে হাইকোর্টেও একটি মামলায় স্বস্তি পেলেন রাহুল। হিন্দুত্ববাদী নেতা সাভারকর সম্বন্ধে পড়াশোনা করতে নির্দেশ দেওয়া হোক রাহুলকে। এই মর্মে আবেদন জানিয়েছিলেন অভিনব ভারত কংগ্রেস’ নামে একটি সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা পঙ্কজ কুমুদচন্দ্র ফড়নবিশ। তাঁর সেই আর্জি খারিজ করে দিয়েছে আদালত। আবেদনকারীর যুক্তি ছিল, ‘সাভারকর সম্পর্কে অপরিণত ও দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্য করে চলেছেন রাহুল। তাঁর মন্তব্যে বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে। বিরোধী দলনেতা প্রধানমন্ত্রী হলে দেশে অস্থিরতা তৈরি হবে।’ তখন বম্বে হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি অলোক আরাধে এবং বিচারপতি সন্দীপ মার্নের বেঞ্চ আবেদনকারী বলে, ‘আপনি জানেন উনি (রাহুল) প্রধানমন্ত্রী হবেন? আপনার পিটিশন পড়ে দেখতে রাহুলকে নির্দেশ দিতে বলেছেন। কিন্তু আদালত কীভাবে এই নির্দেশ দিতে পারে?



