Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / বিদেশ

ভারত-চীনের পাশে দাঁড়িয়ে আমেরিকাকে বার্তা পুতিনের, ‘সাম্রাজ্যবাদের দিন এখন অতীত, এই স্বরে কথা বললেন না’

পাহাড় প্রমাণ শুল্ক চাপিয়ে ভারত ও চীনের মতো দেশগুলি আমেরিকাকে ‘খুন’ করে। একদিন আগেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই মন্তব্য সামনে এসেছে।

ভারত-চীনের পাশে দাঁড়িয়ে আমেরিকাকে বার্তা পুতিনের, ‘সাম্রাজ্যবাদের দিন এখন অতীত, এই স্বরে কথা বললেন না’
  • ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ১৬:০৯
Prefer us on Google

বেজিং: পাহাড় প্রমাণ শুল্ক চাপিয়ে ভারত ও চীনের মতো দেশগুলি আমেরিকাকে ‘খুন’ করে। একদিন আগেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই মন্তব্য সামনে এসেছে। আর বৃহস্পতিবার ভারত ও চীনের পাশে দাঁড়িয়ে পাল্টা হুঁশিয়ারি দিলেন ভ্লাদিমির পুতিন। নাম না করে আমেরিকাকে রুশ প্রেসিডেন্টের সতর্কতা, ‘সাম্রাজ্যবাদের দিন এখন অতীত। সহযোগীদের সঙ্গে যে এই স্বরে কথা বলা চলে না, তা উপলব্ধি করা উচিত।’ বেজিং সফরে আসা পুতিনের এই মন্তব্য নয়া ভূ-রাজনৈতিক সমীকরণের ইঙ্গিতবাহী বলে মনে করছে কূটনৈতিক মহল।

Advertisement

বেজিংয়ের দিয়াওযুতাই স্টেট গেস্ট হাউসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন পুতিন। সরাসরি নাম না করে আমেরিকা সহ পশ্চিমী বিশ্বকে রুশ প্রেসিডেন্টের হুঁশিয়ারি, আন্তর্জাতিক রাজনীতি বা নিরাপত্তার ক্ষেত্রে কোনও দেশ যেন ‘খবরদারি’ ফলানোর চেষ্টা না করে। সেই সঙ্গেই ভারত ও চীনের মতো দেশগুলির অর্থনৈতিক শক্তি হিসেবে উত্থানকে মান্যতা দেন তিনি। পুতিনের কথায়, আন্তর্জাতিক আইনের দৃষ্টিতে সকলের সমান অধিকার ও অবস্থান থাকা বাঞ্ছনীয়। আন্তর্জাতিক সম্পর্কে ভারসাম্য প্রতিষ্ঠার প্রয়োজন রয়েছে। ভারত ও চীনের মতো বড় দেশগুলিতে স্বতন্ত্র রাজনৈতিক ব্যবস্থা ও নিজস্ব আইন রয়েছে। 
পশ্চিমী দেশগুলিকে তাদের ঔপনিবেশিক ইতিহাসও এদিন স্মরণ করিয়ে দেন রুশ প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, ঔপনিবেশিকতা ও সার্বভৌমত্বের উপর দীর্ঘ আক্রমণের কারণে বহু দেশেরই কঠিন সংগ্রামের ইতিহাস রয়েছে। এখন সাম্রাজ্যবাদের সেই যুগ অতীত।’
ক’দিন আগে চীনের মাটিতেই এসসিও সম্মেলনের সময় জিনপিং, পুতিন ও মোদিকে একত্রে দেখেছে গোটা বিশ্ব। আমেরিকা তথা ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্কযুদ্ধের আবহে একমঞ্চে এই তিন নেতার ছবি নিশ্চিভাবেই তাৎপর্যপূর্ণ। আর তার রেশ এসে পড়েছে খোদ মার্কিন মুলুকেও। ভারত-চীন-রাশিয়ার এই দোস্তির বার্তা ফলাও করে জায়গা পেয়েছে আমেরিকার সংবাদ মাধ্যমগুলিতেও। জিনপিং-মোদি-পুতিনের হাসি মুখে ছবি যে অন্তর্নিহীত অর্থবাহী, তা মেনে নিচ্ছেন খোদ ট্রাম্পের দেশের বিশেষজ্ঞরাই। আমেরিকার খ্যাতনামা রাজনৈতিক ভাষ্যকার ভ্যান জোনসের সতর্কবার্তা, পুতিনের সঙ্গে জি জিনপিং, ভারতের মোদি, ইরান ও উত্তর কোরিয়ার নেতার সঙ্গে ছবি প্রত্যেক আমেরিকানের মেরুদণ্ডে ঠান্ডা স্রোত বইয়ে দেবে।’

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ