মস্কো, ১১ মে: ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধ থামাতে এগিয়ে এলেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। যুদ্ধ থামাতে ও শান্তি ফেরাতে আগামী ১৫ মে তুরস্কের ইস্তানবুলে ইউক্রেনের সঙ্গে বৈঠকে বসার প্রস্তাব দিয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট। আজ, রবিবার এমনটাই ঘোষণা করেছেন পুতিন। যদিও রাশিয়ার এই প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে এখনও পর্যন্ত কোনও প্রতিক্রিয়া দেয়নি ইউক্রেন। তবে পুতিনের এই পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়েছে বিশেষজ্ঞ মহল। প্রায় তিনবছর ধরে ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে যুদ্ধ চলছে। সেই যুদ্ধ থামাতে ও দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের উন্নতিতে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করতে চেয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।
যদিও তাঁর উদ্যোগ সেইভাবে সফল হয়নি। তবে মস্কো ও কিয়েভের মধ্যে মাঝে যুদ্ধবিরতির চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। কিন্তু একেবারে যুদ্ধ বন্ধের কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে এবারে যুদ্ধ বন্ধের দিকেই হাঁটতে চলেছেন পুতিন। ২০২২ সালে ইউক্রেনের সঙ্গে শান্তি বৈঠক হয়েছিল রাশিয়ার। কিন্তু কোনও সমাধান সূত্র বের হয়নি তখন। সেই শান্তি বৈঠকই ফের শুরু করার প্রস্তাব দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট পুতিন। এবারের বৈঠকে কোনও আগাম শর্তও লাগু করেনি মস্কো। ক্রেমলিনের দাবি, যুদ্ধের কারণগুলি সমূলে উৎখাত করার পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি শান্তি ফেরানো এই দুই লক্ষ্যেই আলোচনায় বসতে চান প্রেসিডেন্ট পুতিন।
তবে তাঁর এই পদক্ষেপ আচমকাই আসেনি বলে দাবি বিশেষজ্ঞ মহলের। আগামী কাল, সোমবার থেকে ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে ৩০ দিনের যুদ্ধবিরতি শুরু হওয়ার কথা। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নির্দেশে এই যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দিয়েছে ব্রিটেন, ফ্রান্স, জার্মানি ও পোল্যান্ড। এই চার দেশের তরফে বলা হয়েছে রাশিয়া যদি যুদ্ধবিরতিতে না যায় তাহলে একাধিক নিষেধাজ্ঞা চাপবে তাদের উপর। সেই প্রস্তাবের পরই আচমকা ইউক্রেনের সঙ্গে বৈঠকে বসতে চেয়েছে মস্কো। যাকে কেন্দ্র করে জোর চর্চা শুরু হয়েছে গোটা বিশ্বে।