সংবাদদাতা, হরিশ্চন্দ্রপুর: খবরের জেরে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বাড়ি বাড়ি শুরু হয়েছিল পাইপলাইন সংযোগের কাজ। তবে নিম্নমানের পাইপ ব্যবহারের অভিযোগ তুলে ফের বিক্ষোভ দেখালেন বাসিন্দারা।
সংবাদদাতা, হরিশ্চন্দ্রপুর: খবরের জেরে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বাড়ি বাড়ি শুরু হয়েছিল পাইপলাইন সংযোগের কাজ। তবে নিম্নমানের পাইপ ব্যবহারের অভিযোগ তুলে ফের বিক্ষোভ দেখালেন বাসিন্দারা।
হরিশ্চন্দ্রপুর সদর এলাকার মাড়োয়ারি পাড়ার বাসিন্দারা বাড়ি বাড়ি পানীয় জলের সংযোগের দাবিতে শুক্রবার হরিশ্চন্দ্রপুর গ্ৰামীণ হাসপাতালের রাস্তা অবরোধ করে, টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখিয়েছিলেন। তারপর চাঁচল মহকুমা পিএইচই দপ্তরের সহকারী ইঞ্জিনিয়ার সুমিত ঘোষ দ্রুত পাইপ লাইনের কাজ শুরু করার প্রতিশ্রুতি দেন। সেই খবর ‘বর্তমান’ এ প্রকাশিত হয়েছিল। সেদিন সন্ধ্যায় এলাকায় জলের ভ্রাম্যমান ট্যাঙ্ক গেলে ঘুরিয়ে দেন ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। শনিবার সকালে বাড়ি বাড়ি পাইপ লাইনের কাজ শুরু হয়। কিন্তু এলাকাবাসীর অভিযোগ, নিম্নমানের পুরনো পাইপ ব্যবহার করা হচ্ছে। সেই পাইপে একাধিক জায়গায় ফুটো রয়েছে দাবি করে ফের বিক্ষোভ দেখান তাঁরা। স্থানীয় বাসিন্দা সোমা দাস বলেন, নিম্নমানের পুরনো ফুটো পাইপ বসানো হচ্ছে। এই পাইপ দিয়ে বাড়ি বাড়ি আর জল পৌঁছবে না।
যদিও পিএইচইর ঠিকাদার শেখ গোলাম মোস্তফা বলেন, সঠিক পাইপ ব্যবহার করা হচ্ছে। ফুটো পাইপ সারিয়ে দেওয়া হয়েছে।
বিক্ষোভের পর বিকেলে এলাকায় ছুটে যান রাজ্যের প্রতিমন্ত্রী তাজমুল হোসেন। তিনি এলাকার মানুষের সঙ্গে কথা বলে কাজ ঠিকমতো করা হবে বলে আশ্বাস দেন।
সুমিত ঘোষ জানান, দীর্ঘদিন ধরে পাইপগুলি এক জায়গায় রাখার ফলে ধুলো জমে গিয়েছে। সব পাইপ নতুন। ফুটো পাইপ বদলে দেওয়া হয়েছে।