Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

ছাত্রীদের উত্যক্ত করার প্রতিবাদ, বৃদ্ধের মাথা ফাটিয়ে গ্রেফতার দুষ্কৃতী

এক বৃদ্ধকে রেঞ্জ দিয়ে মেরে মাথা ফাটিয়ে দেওয়ার অভিযোগে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে কোতুলপুর থানার পুলিশ। ধৃতের নাম অনন্ত তপস্বী।

ছাত্রীদের উত্যক্ত করার প্রতিবাদ, বৃদ্ধের মাথা ফাটিয়ে গ্রেফতার দুষ্কৃতী
  • ১১ অক্টোবর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা,বিষ্ণুপুর:এক বৃদ্ধকে রেঞ্জ দিয়ে মেরে মাথা ফাটিয়ে দেওয়ার অভিযোগে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে কোতুলপুর থানার পুলিশ। ধৃতের নাম অনন্ত তপস্বী। সেকোতুলপুরের সিনেমাতলায় টিউশন পড়তে আসা ছাত্রীদের উত্যক্ত করত। জখম বৃদ্ধ তার প্রতিবাদ করায় অনন্ত রেঞ্জ নিয়ে ঝাপিয়ে পড়ে। ধৃতের বাড়ি কোতুলপুর থানার অন্তর্গত বলিয়ারপুরে। ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। স্থানীয় লোকজন অভিযুক্তকে ধরে প্রথমে একটি ঘরে আটকে রাখেন। পরে পুলিসের হাতে তুলে দেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার রাতে তাকে গ্রেফতার করা হয়। 

Advertisement

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কোতুলপুরের সিনেমাতলায় এক গৃহশিক্ষকের কাছে বেশ কিছু ছাত্রছাত্রী পড়তে আসে। অভিযোগ, মাঝবয়সি অনন্ত তপস্বী মাঝে মাঝেই সেখানে এসে মদ্যপ অবস্থায় ছাত্রীদের উত্যক্ত করত। বৃহস্পতিবারও একই ঘটনা ঘটনায় ছাত্রীরা শিক্ষককে বিষয়টি জানান। এরপরেই ওই শিক্ষক অভিযুক্ত ব্যক্তির কাছে গিয়ে প্রতিবাদ করায় সে তার ব্যাগ থেকে একটি রেঞ্জ ও স্ক্রু ডাইভার বের করে শিক্ষকের দিকে তেড়ে আসে। দৌড়ে পালাতে গিয়ে শিক্ষক মাটিতে পড়ে গেলে তাঁকে মারতে উদ্যত হয়। সেই সময় বাজার থেকে ফিরছিলেন স্থানীয় বাসিন্দা ৬৫বছরের মাধব ঘটক। অনন্ত শিক্ষককে মারার চেষ্টা করছে দেখে তিনি ওই ব্যক্তিকে পিছন থেকে ধরে ফেলেন। এরপরেই শিক্ষককে ছেড়ে রেঞ্জ দিয়ে মাধববাবুর মাথায় আঘাত করে ধৃত। তাতে তাঁর মাথা ফেটে যায়। বৃদ্ধকে কোতুলপুর গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ততক্ষণে স্থানীয়লোকজন জড়ো হয়ে অভিযুক্তকে ধরে একটি ঘরে আটকে রেখে পুলিসকে খবর দেয়। পুলিস এসে তাকে থানায় নিয়ে যায়। রাতে তাকে গ্রেফতার করা হয়। 
ওই গৃহশিক্ষক বলেন, টিউশন শুরুর আগে ছাত্রছাত্রীরা গেটের মুখে দাঁড়িয়ে থাকে। সেই সময় অভিযুক্ত লোকটি তাদের উত্যক্ত করে বলে ছাত্রীরা আমাকে জানায়। তারপরেই আমি ওই লোকটিকে সতর্ক করার জন্য দু’-চার কথা বলি। তাতেই সে রেঞ্জ নিয়ে আমার দিকে তেড়ে আসে। দৌড়ে পালাতে গিয়ে আমি পড়ে যাই। আমাকে বাঁচাতে এসে মাধববাবু আক্রান্ত হন।  
মাধববাবু বলেন, বাজার থেকে ফেরার সময় এক ব্যক্তি ওই শিক্ষককে মারতে উদ্যত হয়েছে দেখে তাকে ছাড়াতে যাই। লোকটি রেঞ্জ দিয়ে আমারই মাথায় আঘাত করে। দোষী যাতে শাস্তি পায় তার জন্য পুলিসের কাছে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ