Bartaman Logo
২৪ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / খেলা

প্রোটিয়াদের বিদায়, সেঞ্চুরি অ্যালেনের, ফাইনালে নিউজিল্যান্ড

জয়ের জন্য প্রয়োজন মাত্র ১ রান। ফিন অ্যালেন ব্যাট করছেন ৯৬ রানে। মিচেল জানসেনের বলে তাঁর শট লং-অন দিয়ে বাউন্ডারি পেরতেই ডাগ-আউটে উল্লাসে ফেটে পড়ল কিউয়ি শিবির।

প্রোটিয়াদের বিদায়, সেঞ্চুরি অ্যালেনের, ফাইনালে নিউজিল্যান্ড
  • ৫ মার্চ, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সৌগত গঙ্গোপাধ্যায়, কলকাতা: জয়ের জন্য প্রয়োজন মাত্র ১ রান। ফিন অ্যালেন ব্যাট করছেন ৯৬ রানে। মিচেল জানসেনের বলে তাঁর শট লং-অন দিয়ে বাউন্ডারি পেরতেই ডাগ-আউটে উল্লাসে ফেটে পড়ল কিউয়ি শিবির। মুষ্টিবদ্ধ হাত আকাশের দিকে ছুড়লেন অ্যালেনও। ততক্ষণে দৌড়ে মাঠের মাঝখানে ক্যাপ্টেন স্যান্টনার। তাঁর চোখের কোনে জল। রাচীন রবীন্দ্র দু’হাত মাথার উপর তুলে আকাশের দিকে তাকিয়ে— যেন বিশ্বাসই হচ্ছে না। শান্ত স্বভাবের কিউয়ি সৈনিকরা একে অপরকে জড়িয়ে ধরলেন। আবেগের বাঁধ ভাঙল ইডেনের সবুজ গালিচায়। বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠার বহিঃপ্রকাশ তো এমনই হয়ে থাকে!

Advertisement

গোটা টুর্নামেন্টেই খোঁড়াতে খোঁড়াতে এগিয়েছে নিউজিল্যান্ড। বুধবার ইডেনে তারাই ৯ উইকেটে গুঁড়িয়ে দিল দুরন্ত ফর্মে থাকা দক্ষিণ আফ্রিকাকে। যারা এর আগে একটিও ম্যাচ হারেনি। কথায় আছে, ২২ গজের লড়াইয়ে পারফরম্যান্সের সামনে মাথা নোয়ায় পরিসংখ্যান। সেটা আবারও প্রমাণ করল কিউয়িরা। ইডেনে প্রথমে ব্যাট করে দক্ষিণ আফ্রিকা তুলেছিল ৮ উইকেটে ১৬৯। জবাবে ৪৩ বল বাকি থাকতেই জয়ের কড়ি তুলে ফাইনালে নিউজিল্যান্ড (১৭৩-১)। জয়ের নায়ক অবশ্যই ফিন অ্যালেন। ৩৩ বলে ১০০ রানে অপরাজিত তিনি। টি-২০ বিশ্বকাপের ইতিহাসে এটাই দ্রুততম শতরান। তাতেই কুপোকাত মার্করাম-রাবাডারা।
আরও একবার মেগা টুর্নামেন্টে স্বপ্নভঙ্গ দক্ষিণ আফ্রিকার। অথচ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ জেতার পর ক্রিকেট বিশ্ব ভেবেছিল, ‘চোকার্স’ তকমা পিছনে ফেলে এসেছে ম্যান্ডেলার দেশ। কিন্তু কোথায় কী! মোক্ষম সময়ে ফের তাল হারালেন মিলাররা। টস ভাগ্য সহায় হওয়ায় বাড়তি সুবিধা অবশ্যই পেয়েছে কিউয়িরা। কারণ, শিশির পড়ায় ইডেনে পরের দিকে ব্যাটিং সহজ হয়ে যায়। বল গ্রিপ করতে সমস্যায় পড়েন বোলাররা। নিউজিল্যান্ডের দুই ওপেনার টিম সেফার্ট ও ফিন অ্যালেন সুযোগের সদ্ব্যাবহার করেন। ১৭০ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে ওপেনিং জুটিতেই ওঠে ১১৭। এরপর সেফার্টকে (৫৮) রাবাডা ফেরালেও অ্যালেন শাসন জারি রেখেছিলেন। রাচীনকে সঙ্গে নিয়ে দলকে জয়ের কড়ি এনে দেন তিনি।
তার আগে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা জঘন্য করেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। হেনরি-ম্যাকনজিদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ৭৭ রানেই ৫ উইকেট খুইয়ে চাপে পড়ে তারা। সেখান থেকে ষষ্ঠ উইকেটে ৭৩ রান যোগ করে দলকে লড়াকু পুঁজি এনে দেন স্টাবস (২৯) ও জানসেন (অপরাজিত ৫৫)। কিন্তু তাতেও শেষরক্ষা হল না।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ