Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬

রাজনৈতিক দল ‘কর্মক্ষেত্র’ নয়, মন্তব্য সুপ্রিম কোর্টের

কর্মক্ষেত্রে মহিলাদের যৌন হেনস্তা থেকে সুরক্ষার দিতে ‘পশ’ আইন চালু রয়েছে দেশে। রাজনৈতিক দলগুলিকেও এই আইনের আওতায় আনার দাবি উঠেছিল।

রাজনৈতিক দল ‘কর্মক্ষেত্র’ নয়, মন্তব্য সুপ্রিম কোর্টের
  • ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি: কর্মক্ষেত্রে মহিলাদের যৌন হেনস্তা থেকে সুরক্ষার দিতে ‘পশ’ আইন চালু রয়েছে দেশে। রাজনৈতিক দলগুলিকেও এই আইনের আওতায় আনার দাবি উঠেছিল। আর্জি জানানো হয়েছিল সুপ্রিম কোর্টেও। সোমবার সেই আবেদনের শুনানিতে সর্বোচ্চ আদালত সাফ জানিয়ে দিয়েছে, রাজনৈতিক দলে যোগ দেওয়াকে ‘চাকরি’ বলা যায় না। তাই স্বাভাবিকভাবে রাজনৈতিক দলকে ‘কর্মস্থল’ এবং সেখানকার কর্মীদের ‘কর্মচারী’ আখ্যা দেওয়াটা একেবারেই অনুচিত। এখানেই শেষ নয়, প্রধান বিচারপতি বি আর গাভাইয়ের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চের ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য, ‘যদি রাজনৈতিক দলগুলিকেও কর্মস্থল হিসেবে বিবেচনা করা হয়, তাহলে সেটা প্যান্ডোরার বাক্স খোলার শামিল হবে।’

Advertisement

২০২২ সালের মার্চে কেরল হাইকোর্টও একইধরনের নির্দেশ দিয়েছিল। উচ্চ আদালত বলেছিল, যেহেতু রাজনৈতিক দল ও তার কর্মীদের মধ্যে নিয়োগকর্তা-কর্মচারী সম্পর্ক থাকে না, তাই একে কর্মস্থল বলা যায় না। ‘পশ’ আইনের আওতাতেও আনা যায় না। আর সেই কারণে ‘পশ’ আইনের ৪ নম্বর ধারা মেনে ইন্টারনাল কমপ্লেইন্ট কমিটি (আইসিসি) গড়ার কোনও বাধ্যবাধকতা তাদের নেই। ওই ধারায় বলা হয়েছে, প্রত্যেক নিযোগকর্তাকে তাঁদের প্রতিষ্ঠানে লিখিত নির্দেশিকা জারি করে এই আইসিসি বাধ্যতামূলকভাবে গঠন করতে হবে। কেরল হাইকোর্টের এই রায়কে চ্যালেঞ্জ করেই সর্বোচ্চ আদালতে বিশেষ লিভ পিটিশন দায়ের করেছিলেন আইনজীবী যোগমায়া এমজি। তাঁর যুক্তি ছিল, ‘নির্যাতিত মহিলা’ শব্দটির যে বৃহত্তর ব্যাখ্যা রয়েছে, রায়দানের সময় তা উপেক্ষা করে গিয়েছে কেরল হাইকোর্ট। যদিও, সুপ্রিম কোর্ট এদিন সেই আর্জি খারিজ করে দিয়েছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ