Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

যত্রতত্র থুতু-পিক ফেলা আটকাতে শিলিগুড়ি জেলা হাসপাতালে শিশুদের ফটো

দেবদেবীর ছবি সাঁটিয়ে মেলেনি সাফল্য। তাই শিশুদের বিভিন্ন মুডের ফ্রেমবন্দি ফটো রাখা হয়েছে প্রতিটি বিল্ডিংয়ের সিঁড়ি ও করিডরে।

যত্রতত্র থুতু-পিক ফেলা আটকাতে শিলিগুড়ি জেলা হাসপাতালে শিশুদের ফটো
  • ১৪ জানুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি: দেবদেবীর ছবি সাঁটিয়ে মেলেনি সাফল্য। তাই শিশুদের বিভিন্ন মুডের ফ্রেমবন্দি ফটো রাখা হয়েছে প্রতিটি বিল্ডিংয়ের সিঁড়ি ও করিডরে। থুতু নিক্ষেপকারীদের রুখতে এমন পদক্ষেপ নিয়ে সাফল্যও পেয়েছে শিলিগুড়ি জেলা হাসপাতাল। তাদের দাবি, ইদানিং সংশ্লিষ্ট জায়গাগুলিতে থুতু, পান-গুটখার পিক ফেলা কিছুটা হলেও কমেছে। সেই সঙ্গে পরিষেবার গুণগতমান সহ বিভিন্ন ইস্যুতে কেন্দ্রের কাছ থেকে মিলছে পাঁচটি পুরস্কার। সেই সাফল্য ধরে রাখতেই তৎপর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। 

Advertisement

জেলা হাসপাতালের সুপার ডাঃ চন্দন ঘোষ বলেন, কয়েক মাস আগে হাসপাতালের প্রতিটি বিল্ডিংয়ের সিঁড়ি, করিডের সহ প্রতিটি ঘরের কোনায় শিশুদের ছবি সাঁটা হয়েছে। এরপর থেকে সংশ্লিষ্ট জায়গাগুলিতে থুতু, গুটখা, পানের পিক ফেলার প্রবণতা কমেছে। তা হলেও যাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলিতে এসব ফেলার অভিযোগ উঠবে, তাদের বিরুদ্ধে আইননি পদক্ষেপ নেওয়া হবে। আদায় করা হবে জরিমানা। 
দার্জিলিং জেলা তো বটেই উত্তরবঙ্গের মধ্যে অন্যতম শিলিগুড়ি জেলা হাসপাতাল। এখানে জরুরি বিভাগ, আউটডোর, মেল মেডিসিন, সার্জারি, মাদার অ্যান্ড চাল্ড হাব প্রভৃতি বিভাগ রয়েছে। এজন্য আছে পাঁচটি বিল্ডিং। একসময় নীল-সাদা প্রতিটি বিল্ডিংয়ের দেওয়াল, করিডর, সিঁড়ির কোণে নিক্ষেপ করা হতো গুটখা ও পানের পিক। এতে হাসপাতালের সৌন্দর্য নষ্ট হতো। দেওয়ালের সাদা অংশ লাল রং হয়ে থাকত। 
হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, থুতু বা পান-গুটখার পিক নিক্ষেপ রুখতে কয়েক বছর আগে হাসপাতালের বিভিন্ন জায়গায় সাঁটানো হয়েছিল দেবদেবীর ছবি। তাতেও কিন্তু তেমন সাফল্য মেলেনি। দেবদেবীর ছবি উপেক্ষা করেই অনেকে গুটখা, পানের পিক ও থুথু ফেলত। কয়েক মাস আগে সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলিতে সাদা রঙের প্রলেপ দেওয়া হয়। সেখানে সদ্যোজাত শিশুর ফ্রেম করা ছবি বসানো হয়। তাতেই মিলতে শুরু করে সাফল্য। 
হাসপাতালের সুপার বলেন, ইতিমধ্যে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছ থেকে পাঁচটি পুরস্কার মিলেছে। যারমধ্যে কায়াকল্প তিনবার ও গুণমানের জন্য একবার পুরস্কার পেয়েছি আমরা। রাজ্যের মুখ্যসচিব, স্বাস্থ্যদপ্তরের প্রধান সচিব এই হাসপাতালের প্রশংসা করেছেন। এই সাফল্য ধরে রাখতে হবে। তাই শিশুদের ছবি ব্যবহার করে থুতু নিক্ষেপকারীদের উপদ্রব কিছুটা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়েছে।  

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ