Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

নালার জন্য খোঁড়াখুঁড়িতে পিএইচই’র পাইপ ক্ষতিগ্রস্ত, ৪ মাস জল পায় না ৩০০ পরিবার

প্রায় চার মাস আগে নিকাশি নালার কাজ চলার সময় জলের পাইপ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল

নালার জন্য খোঁড়াখুঁড়িতে পিএইচই’র পাইপ ক্ষতিগ্রস্ত, ৪ মাস জল পায় না ৩০০ পরিবার
  • ২৫ এপ্রিল, ২০২৫ ১৫:০৪
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কোচবিহার: প্রায় চার মাস আগে নিকাশি নালার কাজ চলার সময় জলের পাইপ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। তারপর থেকে এলাকার মানুষ পানীয় জল পাচ্ছে না। জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তরকে বারবার জানিয়েও কোনও কাজ না হওয়ায় গরম পড়তেই চরম দুর্ভোগের মধ্যে পড়েছে কোচবিহার-২ ব্লকের খাগড়াবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের লোকনাথপল্লির প্রায় তিনশো পরিবার। এমন অবস্থায় ক্ষোভে ফুঁসছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বাধ্য হয়ে অনেককেই পানীয় জল কিনে আনতে হচ্ছে। জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তর অবশ্য জানিয়েছে, দ্রুত সমস্যার সমাধান করা হবে। 

Advertisement

স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য নবনীতা দাস বলেন, প্রায় চার মাস আগে নিকাশি নালার কাজের জন্য আর্থ মুভার দিয়ে রাস্তার পাশের মাটি খোঁড়াখুঁড়ি করা হয়েছিল। সেই সময় জলের পাইপ লাইন বিভিন্ন জায়গায় ফেটে যায়। পরে সেই পাইপ তুলেও ফেলা হয়। ওই সময় থেকে গ্রামে জল নেই। সমস্যার ব্যাপারে পঞ্চায়েত অফিসে, পিএইচই’কে জানিয়েছিলাম। এটা ঠিক করার দায়িত্ব পিএইচই’র। কিন্তু কাজ কিছুই করা হয়নি। এখন তিন শতাধিক পরিবার জল পাচ্ছে না। ফলে ২৪০ নম্বর বুথের বাসিন্দারা চরম সমস্যায় পড়েছেন। 
ভুক্তভোগী বাসিন্দা গোবিন্দ সাহা, ফুলতি দাস বর্মন, দেবযানী চক্রবর্তী প্রমুখ বলেন, দীর্ঘদিন ধরে জলের সমস্যায় ভুগছি আমরা। পঞ্চায়েত অফিসে গিয়েছি। পিএইচই অফিসে গিয়ে বারবার জানিয়ে আসা হয়েছে। সেখান থেকে ইঞ্জিনিয়াররা আসেননি। ফলে চার মাস ধরে আমাদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। জানি না কবে এই সমস্যা থেকে আমরা নিস্তার পাব। 
জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তরের কোচবিহারের এগজিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার সুব্রত ধর বলেন, ইঞ্জিনিয়ার পাঠিয়ে বিষয়টি খতিয়ে দেখে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 
লোকনাথপল্লির বাসিন্দারা পানীয় জলের সমস্যায় ভুগে এবার আন্দোলনে নামার হুমকিও দিচ্ছেন। অনেকেই সাইকেলে করে আশেপাশের গ্রামে গিয়ে সেখান থেকে জল নিয়ে আসছেন। এক্ষেত্রে কাজ ফেলে তাঁদের নির্দিষ্ট সময়ে জল সংগ্রহ করতে যেতে হচ্ছে। এতে ক্ষোভ বাড়ছে তাঁদের। 
পঞ্চায়েত সদস্য আরও জানিয়েছেন, গরম পড়তে শুরু করেছে। হয়তো আরও গরম পড়বে, তারপর বর্ষাকাল। দ্রুত এই সমস্যার সমাধান না হলে এলাকার মানুষকে চরম দুর্ভোগের মুখে পড়তে হবে।  নিজস্ব চিত্র।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ