নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ২০২৪ সালের পুনরাবৃত্তি হল পঁচিশেও। ফল যেমনই হোক, ভর্তি পরীক্ষায় বসতেই ভর্তির কাউন্সেলিং-এ অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়ে গেলেন হাজারেরও বেশি ছাত্রছাত্রী। কেন্দ্রীয় সরকার ভর্তির জন্য ন্যূনতম ‘কাট অফ’ করে দিল শূন্য। নির্দেশ পেয়ে সেই নোটিস জারি করে দিল ন্যাশনাল বোর্ড অব এগজামিনেশনস ইন মেডিক্যাল সায়েন্সেসও। দ্বিতীয়বার এই আজব কাণ্ড হল নিট সুপারস্পেশালিটি পরীক্ষায়। নিয়ম হল, ডাক্তারি
শিক্ষার সর্বোচ্চ এই কোর্সে ভর্তি পরীক্ষায় কাট অফ-এর বেড়া পার করে কৃতকার্য হতেই হবে। তবেই মিলবে ভর্তির কাউন্সেলিং-এ বসবার সুযোগ। তারপরই ছাত্রছাত্রীরা এমএস, এমসিএইচ, ডিএনবি’র বিভিন্ন ডাক্তারির শাখায় ভর্তির সুযোগ পাবেন। একাধিকবার কাউন্সেলিং-এর পরও দেশজুড়ে ডাক্তারির বিভিন্ন সর্বোচ্চ কোর্স মিলিয়ে ১৮৩২টি আসন খালি ছিল। এরপরই এই সিদ্ধান্ত নিল এনবিই। যদিও এভাবে ফি বছর পরীক্ষা দিলেই ‘পাশ’ করিয়ে দেওয়ার ফর্মুলা নিলে কী ধরনের গুণগত মানের ‘উচ্চশিক্ষিত’ ডাক্তার সমাজ পাবে, তা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন।