Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / বিদেশ

আমেরিকার কাছে দরবার করতে ৪৫ কোটি ঢেলেছিল পাকিস্তান

পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলার পর মোক্ষম জবাব পেয়েছিল পাকিস্তান। অপারেশন সিন্দুরের সময় ভারতের বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হানায় গুঁড়িয়ে গিয়েছিল পাকিস্তানের একাধিক জঙ্গি শিবির।

আমেরিকার কাছে দরবার করতে ৪৫ কোটি ঢেলেছিল পাকিস্তান
  • ৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৬:০১
Prefer us on Google

ইসলামাবাদ: পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলার পর মোক্ষম জবাব পেয়েছিল পাকিস্তান। অপারেশন সিন্দুরের সময় ভারতের বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হানায় গুঁড়িয়ে গিয়েছিল পাকিস্তানের একাধিক জঙ্গি শিবির। বাদ যায়নি পাকিস্তানের বায়ুসেনা ঘাঁটিও। বিপদ বুঝে আমেরিকার কাছে ছুটে গিয়েছিল পাকিস্তান। ইউএস ফরেন এজেন্ট রেজিস্ট্রেশন অ্যাক্টের (এফএআরএ) প্রকাশিত নথি থেকে বিষয়টি স্পষ্ট হয়েছে। ভারতের বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রচার চালানো ও মার্কিন প্রশাসনকে কাছে পেতে জোরদার লবিং শুরু করে পাকিস্তান। তারজন্য ৫০ লক্ষ ডলার (ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৪৫ কোটি টাকা) খরচ করেছিল শাহবাজ শরিফের সরকার।  

Advertisement

গত বছরের ৭ মে অপারেশন সিন্দুর অভিযানে পাকিস্তানের অন্তত শতাধিক জঙ্গিকে খতম করেছিল ভারত। তার জেরে দু’দেশের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। যদিও সেই সংঘর্ষের মেয়াদ ছিল মাত্র তিনদিন। ১০ মে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে দু’দেশ। ভারতের তরফে সংঘর্ষে লাগাম টানা হয়েছে বলে পালটা প্রচারে নেমে পড়ে পাকিস্তান। কিন্তু মার্কিন রিপোর্টে অন্য কথা বলছে। রাওয়ালপিন্ডির নূর খান এয়ারবেস সহ অন্যান্য ঘাঁটিতে ভারতের ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানতেই বুক কেঁপে ওঠে পাকিস্তানের। অপারেশন সিন্দুর আপাতত থামলেও তা ফের শুরু হতে পারে বলে পাকিস্তানকে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁর এই হুঁশিয়ারে রীতিমতো ভয় পেয়ে যায় পাকিস্তান। ট্রাম্প প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চেয়ে আমেরিকায় লবি ফার্ম স্কয়ার প্যাটন বগসকে সক্রিয় করে তোলে ইসলামাবাদ। এফএআরএ-র প্রকাশিত রিপোর্টে বলা হয়েছে, মার্কিন আইনপ্রণেতা, পেন্টাগন এবং ট্রাম্প প্রশাসনের শীর্ষ কর্তাদের সঙ্গে অন্তত ৫০টি বৈঠক চেয়ে আর্জি জানিয়েছিল পাকিস্তান। এমনকি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দুই প্রাক্তন ঘনিষ্ঠ জর্জ সোরিয়াল ও কিথ শিলারের দ্বারস্থ হয়েছিল ইসলামাবাদ। শুধু তাই নয়, দিল্লির বিরুদ্ধে ইসলামাবাদের অবস্থান তুলে ধরার জন্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল ও নিউ ইয়র্ক টাইমসকে কাজে লাগানোর চেষ্টা হয়েছিল। তবে নথিতে বলা হয়েছে, আমেরিকার মধ্যস্থতা কখনই চায়নি দিল্লি। শুধু তাই নয়, পাকিস্তানের মতো মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনার সময়ও এব্যাপারে কোনও উচ্চবাচ্য করেনি ভারত। দু’দেশের সংঘর্ষ থামিয়েছেন বলে দাবি করেছিলেন ট্রাম্প। তাঁর দাবির সঙ্গে একমত হতে পারেনি এফএআরএ। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ