Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

রাজ্যে চাষির থেকে ধান ক্রয় ৫০ লক্ষ টন ছাড়াল, রেকর্ড সাফল্য

খরিফ মরশুম শেষ হতে এখন ৬ মাসেরও বেশি বাকি রয়েছে। তার আগেই চাষিদের কাছ থেকে সরকারি উদ্যোগে ধান কেনার পরিমাণ ৫০ লক্ষ টন ছাড়িয়ে গেল।

রাজ্যে চাষির থেকে ধান ক্রয় ৫০ লক্ষ টন ছাড়াল, রেকর্ড সাফল্য
  • ১১ মার্চ, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: খরিফ মরশুম শেষ হতে এখন ৬ মাসেরও বেশি বাকি রয়েছে। তার আগেই চাষিদের কাছ থেকে সরকারি উদ্যোগে ধান কেনার পরিমাণ ৫০ লক্ষ টন ছাড়িয়ে গেল। ধান কেনার ক্ষেত্রে এটা  রেকর্ড বলে খাদ্যদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে। এর আগে কোনও খরিফ মরশুমে মার্চ মাসে ধান কেনার পরিমাণ ৫০ লক্ষ টন অতিক্রম করেনি। গত ২০২৩-২৪ গোটা খরিফ মরশুমে সরকারি উদ্যোগে ৫৫ লক্ষ টনের মতো ধান কেনা হয়েছিল। এবার গোটা মরশুমে ধান কেনার পরিমাণ অন্তত ৬০ লক্ষ টন হবে বলে খাদ্যদপ্তর আশা করছে। অতীতে কোনও দিন সরকারি উদ্যোগে ৬০ লক্ষ টন কেনা হয়নি। খাদ্যদপ্তরের রিপোর্ট অনুযায়ী, আপাতত ১৫ লক্ষ ১০ হাজার চাষির কাছ থেকে ধান কেনা হয়েছে। 

Advertisement

কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্যের প্রাপ্য টাকা না দেওয়া সত্ত্বেও চাষিদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ ধান কেনা হয়েছে। চাষিদের প্রাপ্য টাকা মিটিয়ে দেওয়া হয়েছে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে। রাজ্য সরকার চাষিদের কাছ থেকে যে ধান কেনে তার একটা বড় অংশ থাকে ‘সেন্ট্রাল পুলের’ জন্য। কেন্দ্রীয় সরকারের হয়ে সেন্ট্রাল পুলের ধান কেনে রাজ্য। ওই ধান থেকে যে চাল উৎপাদন করা হয় তা জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা প্রকল্পের রেশন গ্রাহক ছাড়াও স্কুলের মিড ডে মিল প্রকল্প এবং অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের জন্য সরবরাহ করা হয়। সেন্ট্রাল পুলের চালের জন্য খবচের পুরোটাই কেন্দ্রীয় সরকারের মিটিয়ে দেওয়ার কথা। কিন্তু এই খাতে রাজ্যের বিপুল বকেয়া আছে ২০২৩-২৪ আর্থিক বছরের জন্য। সম্প্রতি কেন্দ্রীয় সরকার আংশিকভাবে কিছু টাকা মিটিয়েছে। কিন্তু এখনও ৪ হাজার কোটি টাকার বেশি বকেয়া আছে বলে জানা গিয়েছে। 
এই পরিস্থিতিতে আপাতত সেন্ট্রাল পুলের জন্য ধান কিনবে না রাজ্য সরকার। স্টেট পুলের জন্য ধান কেনা হবে। স্টেট পুল থেকে রাজ্য খাদ্য সুরক্ষা প্রকল্পের আওতায় থাকা রেশন গ্রাহকদের জন্য চাল সরবরাহ করা হয়। স্থায়ী কেন্দ্রীয় ক্রয় কেন্দ্রগুলিতে খাদ্যদপ্তর ধান কেনার কাজ আপাতত চালিয়ে যাবে। এপ্রিল-মে মাসে বোরো ধান ওঠার পর চাষিদের ধান বিক্রির আগ্রহ বাড়বে। তখন অস্থায়ী শিবির খুলে ধান কেনা হতে পারে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ