সংবাদদাতা, বেলদা: জাতীয় সড়ক থেকে রাজ্য সড়ক সর্বত্রই রাস্তার উপর ধান শুকানো চলছে। তার জেরে বাড়ছে দুর্ঘটনা। হুঁশ নেই প্রশাসনের। সচেতনতার অভাবকেই দায়ী করছে জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ।
সংবাদদাতা, বেলদা: জাতীয় সড়ক থেকে রাজ্য সড়ক সর্বত্রই রাস্তার উপর ধান শুকানো চলছে। তার জেরে বাড়ছে দুর্ঘটনা। হুঁশ নেই প্রশাসনের। সচেতনতার অভাবকেই দায়ী করছে জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ।
খড়্গপুর-বালেশ্বর ১৬ নম্বর জাতীয় সড়ক থেকে শুরু করে খড়্গপুর-দীঘা ৫ নম্বর রাজ্য সড়কের বিভিন্ন এলাকায় রাস্তার উপর ধান শুকানো হচ্ছে। দাঁতন, বেলদা, নারায়ণগড় সহ বিভিন্ন এলাকায় রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য সকলের চোখে পড়বে। নভেম্বর মাসের শেষের দিকে সর্বত্র আমন ধান কাটার কাজ চলছে। কিছুটা কাঁচা অবস্থাতেই মেশিন দিয়ে ধান কেটে নেওয়া হচ্ছে। ফলে ধান শুকনো করতে মাঠের পাশেই থাকা রাস্তা ব্যবহার করছেন চাষিরা। গ্রামীণ রাস্তা থেকে রাজ্য সড়ক এমনকি জাতীয় সড়কের উপরেও বিভিন্ন জায়গায় বিপজ্জনকভাবে ধান মেলে রাখা হচ্ছে। এর ফলে বেশিরভাগ জায়গায় রাস্তার অর্ধেক দখল করে ধান বিছানো হচ্ছে। ফলে দ্বিমুখী যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। আবার ওই ধান খাওয়ার লোভে গবাদি পশু রাস্তার উপর চলে আসছে। ফলে, একাধিক দুর্ঘটনা ঘটছে।
গাড়ি চালক থেকে সাধারণ মানুষের অভিযোগ, প্রশাসনের এ বিষয়ে কোনও হেলদোল নেই। তাদের দাবি, প্রশাসন যদি কড়া হাতে এনিয়ে ব্যবস্থা নিত তাহলে রাস্তার উপরে এভাবে ধান শকাতে দিতে পারত না চাষিরা। যদিও চাষিদের দাবি নিম্নচাপের বৃষ্টির আশঙ্কায় ধান দ্রুত শুকানোর জন্য তাঁদের রাস্তার উপর ধান মেলতে হচ্ছে।
খড়্গপুর-বালেশ্বর ১৬ নম্বর জাতীয় সড়কের প্রজেক্ট ম্যানেজার সঞ্জয়সুন্দর ঘটক বলেন, বছরে দু’বার আমন ও বোরো ধান কাটার সময় চাষিরা রাস্তায় ধান শুকাতে দেন। এমনকি অনেক সময় জাতীয় সড়কের উপরে সুপুরি শুকাতেও দেখা যায়। রাস্তা মেলা ধান খাওয়ার লোভে গবাদি পশু চলে আসায় একাধিক দুর্ঘটনা ঘটেছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে চাষিদের সচেতন করার উদ্যোগ না নিলে এই সমস্যার সমাধান হবে না। আমরা চাই প্রশাসন এ বিষয়ে উদ্যোগ নিক। আমরা সমস্ত রকম সহযোগিতা করব।