সংবাদদাতা, হিলি: অনেকদিন আগেই গ্রামীণ রাস্তাগুলির একাংশ কৃষকদের দখলে চলে গিয়েছে। রাস্তার ধারে ধান শুকোতে দেওয়া হচ্ছে। এবার জাতীয় সড়কের উপরেও ধান শুকোতে দেওয়া হচ্ছে। প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞার পরও রাস্তায় ধান শুকোতে দেওয়ায় অতিষ্ঠ পথচারী থেকে গাড়িচালকরা। যে কোনও সময় বড়সড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন তাঁরা। বালুরঘাট শহর থেকে মঙ্গলপুর হয়ে ৫১২ জাতীয় সড়ক ধরে হিলির দিকে যেতে একাধিক জায়গায় জাতীয় সড়কের দু’ধারে ধান শুকোতে দেওয়ার ছবি দেখা গিয়েছে।
দুর্ঘটনা এড়াতে পথচারীরা প্রশাসনের পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে ডিএসপি (ট্র্যাফিক) বিল্বমঙ্গল সাহা বলেন, যাঁরা ধান শুকোচ্ছেন, তাঁদের রাস্তা থেকে ধান সরিয়ে নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
কৃষকরা বলছেন, প্রয়োজনীয় জায়গার অভাবে জাতীয় সড়কের একাংশের উপরে ধান শুকোতে দিচ্ছেন তাঁরা। এপ্রসঙ্গে তিন নম্বর ধলপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের বসনতা গ্রামের কৃষক বাবলু মাহাত বলেন, বাড়িতে জায়গা নেই। বাধ্য হয়ে বাড়ির সামনে জাতীয় সড়কের ধারে ধান শুকোতে দিয়েছি। তবে জাতীয় সড়কের ওপর ধান শুকোনো যে সঠিক পদ্ধতি নয় সেটাও মানছেন বাবলু। তিনি বলছেন, কী করব? উপায় তো নেই। ধান বিক্রির টাকা দিয়ে যে সংসার চালাতে হবে। ত্রিমোহিনীর পশ্চিম কিসমত দাপট গ্রামের ধীরেন মহন্ত ও জোসনা মালো জানান, প্রশাসন ধান শুকোনোর জন্য জায়গার ব্যবস্থা করে দিলে খুব ভালো হয়। এ প্রসঙ্গে হিলির বিডিও চিরঞ্জিৎ সরকার বলেন, বিষয়টি নিয়ে পুলিসের সঙ্গে কথা বলেছি। এভাবেই রাস্তায় ধান বিছিয়ে তা শুকোনো হচ্ছে।-নিজস্ব চিত্র