নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: ওয়াকফ আইন নিয়ে কোনও বিরোধিতাকেই প্রধানমন্ত্রী সঠিক মনে করেন না। তাঁর মতে, যারা এই আইনের বিরুদ্ধাচারণ করছে, তারা আসলে ভোটব্যাঙ্কের ভাইরাস। ডঃ আম্বেদকর সমানাধিকারের পক্ষে লড়াই করেছিলেন। আর কংগ্রেস ভোট ব্যাঙ্ক রাজনীতির ভাইরাস দেশে ছড়াচ্ছে। সোমবার আম্বেদকর জয়ন্তী উপলক্ষ্যে হরিয়ানার হিসারে একঝাঁক প্রকল্পের উদ্বোধন করেন মোদি। সেখানে দলিত, আদিবাসী ও মুলিসম সমাজের প্রকৃত বন্ধু যে বিজেপি সরকার, সেটাই বারবার বলেন। অসমের কাছাড়, মধ্যপ্রদেশের গুনা এবং বাংলার মুর্শিদাবাদ ওয়াকফ আইনের জেরে অশান্ত। পরিস্থিতি সামলাতে সর্বত্র কেন্দ্রীয় বাহিনীকে নামতে হয়েছে। কিন্তু এদিন তা নিয়ে কোনও মন্তব্য করেননি প্রধানমন্ত্রী। স্রেফ জানিয়ে দিলেন, ওয়াকফ আইন হল সামাজিক ন্যায়ের প্রতীক। এই ওয়াকফ আইনের মাধ্যমে গরিব ও পসমন্দা মুসলিমদের অনেক উপকার হবে। ওয়াকফের নামে মুসলিমদের জমি সম্পত্তি বাড়ি নিয়ে জমি মাফিয়ারা আর টানাটানি করবে না। ওয়াকফের নামে আসলে চলে লুটতরাজ। এই এক শ্রেণির বড়লোক লুটেরাদের হাত থেকে গরিব মুসলিমদের রক্ষা করতে আনা হয়েছে ওয়াকফ আইন। ওয়াকফ আইনের জয়গান গাইলেও অশান্তি নিয়ে কোনও মন্তব্য করেননি মোদি। যদিও কখনও মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী, কখনও উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী, কিংবা ছত্তিশগড়ের উপ মুখ্যমন্ত্রীরা লাগাতার পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে আক্রমণ করে চলেছেন। তৃণমূলের অভিযোগ, এভাবে শান্তির বার্তা না দিয়ে আরও বেশি প্ররোচনামূলক মন্তব্য করে ইচ্ছাকৃতভাবে দেশজুড়ে প্রচারের চেষ্টা চলছে যে, বাংলা জ্বলছে। মোদি হিসারে বলেছেন, মুসলিমদের বিরোধীরা নিছক ভোটব্যাঙ্ক মনে করে। তাদের সেই অবস্থা থেকে মুক্ত হওয়া দরকার। আর ওয়াকফ আইন সেই মুক্তি দেবে।



