Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

সিবিআই ও দিল্লি পুলিসের ভয় দেখিয়ে এক লক্ষ টাকার প্রতারণা বলরামপুরে

সিবিআই ও দিল্লি পুলিসের ভয় দেখিয়ে বলরামপুরের এক ব্যক্তির কাছ থেকে প্রায় এক লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিল প্রতারকরা

সিবিআই ও দিল্লি পুলিসের ভয় দেখিয়ে এক লক্ষ টাকার প্রতারণা বলরামপুরে
  • ২৫ মার্চ, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, পুরুলিয়া: সিবিআই ও দিল্লি পুলিসের ভয় দেখিয়ে বলরামপুরের এক ব্যক্তির কাছ থেকে প্রায় এক লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিল প্রতারকরা। গোটা বিষয়টি জানিয়ে বলরামপুর থানাতে লিখিত অভিযোগ করেছেন প্রতারিত ব্যক্তি। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিস।

Advertisement

স্থানীয় ও পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, বলরামপুর থানার দলদিরি গ্রামের বাসিন্দা বিশ্বদেব গড়াই। বিশ্বদেববাবু বলরামপুর থানাতে লিখিত অভিযোগ করে জানান, গত ১৯ মার্চ তার কাছে একটি মোবাইল কোম্পানি থেকে ফোন আসে। প্রথমে বলা হয়, তাঁর মোবাইল নম্বরটির সঙ্গে দুষ্কৃতীদের ফোন নম্বরের যোগ রয়েছে। তাই তাঁর সিম কার্ডটি বন্ধ হয়ে যাবে। তাই দিল্লি পুলিসের কাছ থেকে একটি ‘নির্দোষ’ শংসাপত্র নিয়ে সেটি দিল্লির টেলিকম দপ্তরে পাঠাতে হবে। সেই দপ্তরের ঠিকানাও ফোনে জানিয়ে দেওয়া হয়। বিশ্বদেববাবু অভিযোগে আরও জানান, তাঁকে একটি হোয়াটসঅ্যাপ কল ধরতে বলা হয়। ওই ফোন ধরেও নেন তিনি। ভিডিও কলে বিশ্বদেববাবু দেখতে পান, অপর প্রান্তে পুলিসের পোশাক পরে একজন একটি রুমের মধ্যে রয়েছেন। পুলিসের পোশাক পরা ওই ব্যক্তি মোবাইলে ৬ জনের ছবিও পাঠান। সেই সঙ্গে জানান, ওই ৬ জনই দুষ্কৃতী। ওদের ডেরায় হানা দিয়ে বিশ্বদেববাবুর একটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের খোঁজ মিলেছে। গোটা বিষয়টি নিয়ে সিবিআই তদন্ত করছে এবং দ্রুত বিশ্বদেববাবুকে গ্রেপ্তার করা হবে বলেও ভয় দেখায় প্রতারকরা। গ্রেপ্তার করার জন্য বিশ্বদেববাবুর বাড়ির ঠিকানাও জানতে চান প্রতারকরা। তাও জানিয়ে দেন তিনি। তারপরই পুলিসের ডিজি পরিচয় দিয়ে অন্য একজন ভিডিও কলে কথা বলেন। তারপরই অ্যাকাউন্টের তথ্য জানতে চাওয়া হয়। অ্যাকাউন্টে টাকা আছে কি না এবং ফোন পে ব্যবহার করা হয় কি না, তাও জানতে চান প্রতারকরা। 
দুষ্কৃতীদের কাছে পাওয়া অ্যাকাউন্ট নম্বর এবং বিশ্বদেববাবুর যে অ্যাকাউন্টে টাকা আছে, তা একই কি না, যাচাই করার জন্য ফোন পে করে মোট এক লক্ষ টাকা পাঠাতে বলা হয়। কথা মতো বিশ্বদেববাবু তাঁর অ্যাকাউন্টে থাকা ৯৯ হাজার ২০ টাকা ওদের দেওয়া ফোন নম্বরে পাঠিয়ে দেন। তারপরে হুঁশ ফেরে বিশ্বদেববাবুর। তারসঙ্গে প্রতারণা হয়েছে বুঝতে পেরেই বলরামপুর থানাতে লিখিত অভিযোগ করেন তিনি। গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিস। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ