নিজস্ব প্রতিনিধি, আরামবাগ: বর্ষায় বন্যা মোকাবিলার প্রস্তুতি নেওয়া শুরু করল প্রশাসন। বিভিন্ন দপ্তরকে নিয়ে জরুরি বৈঠক করে খানাকুল-১ ব্লক প্রশাসন। বুধবার ওই বৈঠকে সেচ, বিদ্যুৎ, স্বাস্থ্য, বিপর্যয় মোকাবিলা, শিক্ষা সহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্তারা ছিলেন। একইসঙ্গে বৃহস্পতিবার খানাকুল-২ ব্লকেও প্রশাসন বন্যা নিয়ে প্রস্তুতি বৈঠক করে। সেখানে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলির আধিকারিকরা ছিলেন। পৃথক দু’টি বৈঠক জনপ্রতিনিধিরাও হাজির হন। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, বন্যা পরিস্থিতির আগে এলাকার প্রসূতিদের তালিকা প্রস্তুত করে রাখতে বলা হয়েছে। তারসঙ্গে বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের তালিকাও তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যেসব স্কুলে ত্রাণশিবির হয় সেখানকার পরিকাঠামো দেখে রাখতেও বলা হয়েছে। খানাকুল-১ পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতি মিন্টু পাল বলেন, গত বছর ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতি হয়। এবারও সেরকম পরিস্থিতি হলে বাসিন্দাদের উদ্ধার সহ নানাভাবে তা মোকাবিলা করা আমাদের প্রধান লক্ষ্য। তাই বর্ষার আগে প্রয়োজনীয় কাজকর্ম করতে সংশ্লিস্ট দপ্তরগুলিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে ফের বৈঠকও হবে। ব্লক প্রশাসনের এক আধিকারিক বলেন, জেলাশাসকের নির্দেশমতো বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে আগাম প্রস্তুতি বৈঠক করা হয়েছে। রাস্তা, বাঁধের বেহাল অংশ দ্রুত মেরামতির জন্য বলা হয়েছে। উদ্ধারকাজের ক্ষেত্রেও প্রসূতি ও বৃদ্ধদের তালিকা আগাম প্রস্তুত রেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা রাখতেও নির্দেশ দেওয়া হয়। খানাকুল-২ বিডিও মধুমিতা ভট্টাচার্য বলেন, স্পর্শকাতর এলাকাগুলিতে যাঁরা বসবাস করেন, তাঁদের এখন থেকেই সতর্ক করে রাখতে বলা হয়েছে। প্রয়োজনীয় বাঁধ মেরামতির কাজগুলিও যাতে হয়, সেই দিকে নজর রাখা হচ্ছে। চিংড়া পঞ্চায়েত এলাকায় যেসব ছোট ছোট হানা হয়েছিল, সেখানে যাতে দ্রুত কাজ করা যায় তার প্রশাসনিক অনুমোদনের জন্যও প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।



