Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

ওবিসি বিতর্কের জের, কলকাতা পুরসভায় এসএই পদে নতুনভাবে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করার নির্দেশ

কলকাতা পুরসভায় সাব-অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার (এসএই) পদে নতুন করে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করার নির্দেশ দিল হাইকোর্ট।

ওবিসি বিতর্কের জের, কলকাতা পুরসভায় এসএই পদে নতুনভাবে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করার নির্দেশ
  • ২০ জুন, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কলকাতা পুরসভায় সাব-অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার (এসএই) পদে নতুন করে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করার নির্দেশ দিল হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার বিচারপতি কৌশিক চন্দের নির্দেশ, ওই পদে নিয়োগের জন্য যে শূন্যপদ রয়েছে তা পুর ও নগরোন্নয়ন দপ্তরকে পাঠাবে কলকাতা পুরসভা। সাতদিনের মধ্যে ওই বিষয়ে অনুমতি দিতে হবে দপ্তরকে। তারপর নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করবে পশ্চিমবঙ্গ মিউনিসিপ্যাল সার্ভিস কমিশন।

Advertisement

অভিযোগ, ২০১০ সালে ওবিসি সার্টিফিকেট বাতিলের রায়ের পরেও কলকাতা পুরসভায় এসএই পদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছিল পশ্চিমবঙ্গ মিউনিসিপ্যাল সার্ভিস কমিশন। সেই বিজ্ঞপ্তিকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে মামলা দায়ের হয়। বুধবার বিচারপতি চন্দ কলকাতা পুরসভার কমিশনার এবং কমিশনের চেয়ারম্যানকে হাজিরার নির্দেশ দেন। 
তাঁদের আইনজীবীরা জানান, ওবিসি সার্টিফিকেট নিয়ে ডিভিশন বেঞ্চের রায় বুঝতে সমস্যা হয়েছে। এরপরই এদিন হাইকোর্ট জানায়, ২০১০ সালের আগের নির্ধারিত ওবিসি গোষ্ঠী নিয়ে নতুন নিয়োগপ্র ক্রিয়া শুরু করা যাবে। আইন অনুযায়ী তারা ৭ শতাংশ সংরক্ষণ পাবে।
পশ্চিমবঙ্গ মিউনিসিপ্যাল সার্ভিস কমিশনের বিজ্ঞপ্তিতে মোট ৭৮ শূন্যপদের মধ্যে ‘ওবিসি(এ)’-র জন্য আটটি এবং ‘ওবিসি (বি)’-র জন্য পাঁচটি পদ সংরক্ষণের কথা বলা হয়েছিল। মামলাকারীদের তরফে আদালতে অভিযোগ করা হয়, ওবিসি নিয়ে হাইকোর্টের রায় অমান্য করা হচ্ছে। তাই ওই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিকে চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার আদালত জানায়, ডিভিশন বেঞ্চ রায়ে স্পষ্ট বলে দিয়েছে, ২০১০ সালের আগের ৬৬টি সম্প্রদায়ের ওবিসি সার্টিফিকেট বৈধ। তাদের নিয়ে নিয়োগ প্রক্রিয়া চালানো হবে।
অন্যদিকে, ওবিসি সংক্রান্ত নির্দেশের পরও কলেজে ভর্তির অনলাইন পোর্টালে এখনও ওবিসি-এ এবং ওবিসি-বি নিয়ে আলাদাভাবে ভর্তির উল্লেখ রয়েছে। এমনই অভিযোগ তুলে আদালত অবমাননার মামলা দায়ের হল হাইকোর্টে। মূল মামলাকারীদের পক্ষের আইনজীবী বিক্রম বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য, আদালতের নির্দেশের পরেও কলেজে ওবিসি-এ এবং ওবিসি-বি নিয়ে আলাদাভাবে ভর্তির কথা বলা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে বৃহস্পতিবার হাইকোর্টের বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি।
বিচারপতি তাঁকে মামলা দায়েরের অনুমতি দেন। রাজ্যের মুখ্যসচিব এবং উচ্চশিক্ষা দপ্তরকেও মামলায় যুক্ত করা হয়েছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ