Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

এবার রাজগঞ্জে এসআইআর আতঙ্কে আত্মহত্যার অভিযোগ

এসআইআর আতঙ্কে আত্মহত্যার অভিযোগ উঠল রাজগঞ্জ ব্লকের আমবাড়িতে। মেয়ের নাম ভোটার তালিকা থেকে উধাও হয়ে যাওয়ায় উদ্বিগ্ন ছিলেন ভুবনচন্দ্র রায় (৫৯)।

এবার রাজগঞ্জে এসআইআর  আতঙ্কে আত্মহত্যার অভিযোগ
  • ১৫ নভেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি ও সংবাদদাতা, রাজগঞ্জ: এসআইআর আতঙ্কে আত্মহত্যার অভিযোগ উঠল রাজগঞ্জ ব্লকের আমবাড়িতে। মেয়ের নাম ভোটার তালিকা থেকে উধাও হয়ে যাওয়ায় উদ্বিগ্ন ছিলেন ভুবনচন্দ্র রায় (৫৯)। সেই কারণেই তিনি আত্মঘাতী হয়েছেন বলে দাবি পরিবারের। একই দাবি করেছে তৃণমূল কংগ্রেসও। প্রসঙ্গত, দু’দিন আগে জলপাইগুড়ি সদর ব্লকের দক্ষিণ বেড়ুবাড়ির সাতকুড়া এলাকায় কমলা রায় (৫২) নামে এক প্রৌঢ় এসআইআর আতঙ্কে আত্মহত্যা করেছেন বলে দাবি করে তৃণমূল। স্ত্রীর নাম ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় না থাকায় দুশ্চিন্তায় দিন কয়েক আগে আত্মঘাতী হন জলপাইগুড়ির খড়িয়া পঞ্চায়েতের জগন্নাথ কলোনির বাসিন্দা নরেন্দ্রনাথ রায় (৬০)। শুক্রবার নরেন্দ্রনাথের বাড়িতে এসে পরিবারের পাশে থাকার বার্তা দেন সাংসদ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। 

Advertisement

আমবাড়ির কামারভিটার বাসিন্দা ভুবনচন্দ্র রায় পেশায় রাজমিস্ত্রি ছিলেন। বৃহস্পতিবার রাতে বাড়ির অদূরে একটি গাছ থেকে তাঁর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। তাঁর ছেলে ধৈর্যধর রায় বলেন, ‘বাড়িতে বাবা-মা ও আমি। দুই দিদির বিয়ে হয়ে গিয়েছে। এক দিদির ভোট আমাদের এলাকাতেই রয়েছে। বিয়ের পর যতবার ভোট হয়েছে, দিদি শ্বশুরবাড়ি থেকে এসে ভোট দিয়েছে। কিন্তু হঠাৎ করে ভোটার তালিকা থেকে তার নাম উধাও হয়ে যাওয়ায় বাবা দুশ্চিন্তায় ছিলেন। সেই কারণে বাবা আত্মঘাতী হয়েছে বলে মনে করছি আমরা।’ এদিনই তাঁদের বাড়িতে গিয়ে পাশে থাকার আশ্বাস দেন রাজগঞ্জের তৃণমূল বিধায়ক খগেশ্বর রায়। এদিকে, বীরভূমেও এসআইআর আতঙ্কে এক বৃদ্ধের মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার ইনিউমারেশন ফর্ম ফিলাপ করতে এসে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। তড়িঘড়ি তাঁকে প্রথমে মুরারই গ্রামীণ হাসপাতাল ও পরে রামপুরহাট মেডিকেল কলেজে ভর্তি করানো হয়। সেখানে মৃত্যু হয় তাঁর। মৃতের নাম কার্তিকচন্দ্র লেট (৬৫)। তিনি মুরারই থানার ডুমুরগ্রাম পঞ্চায়েতের মলয়পুর গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। পরিবারের সদস্যরা জানান, হাই প্রেসারের রোগী ছিলেন কার্তিকবাবু। তৃণমূলের মুরারই ১ নং ব্লক সভাপতি বিনয় ঘোষ বলেন, ‘ওঁর বয়স হয়েছিল। উচ্চ রক্তচাপের জন্য ওষুধও খাচ্ছিলেন। তার উপর এসআইআর আতঙ্কে ভুগছিলেন। সেই কারণেই মৃত্যু হল তাঁর।’

সম্পর্কিত সংবাদ