Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

চোখ তুলে নেওয়ার প্রমাণ নেই, বারাসত হাসপাতাল কাণ্ডে জমা তদন্ত রিপোর্ট

মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশমতো বারাসত মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ‘চোখ চুরি’ অভিযোগের তদন্ত রিপোর্ট জমা পড়ল। বৃহস্পতিবার তিন সদস্যের দলের রিপোর্ট কলেজ ও রাজ্য স্বাস্থ্যদপ্তরে গিয়েছে।

চোখ তুলে নেওয়ার প্রমাণ নেই, বারাসত হাসপাতাল কাণ্ডে জমা তদন্ত রিপোর্ট
  • ২৮ নভেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশমতো বারাসত মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ‘চোখ চুরি’ অভিযোগের তদন্ত রিপোর্ট জমা পড়ল। বৃহস্পতিবার তিন সদস্যের দলের রিপোর্ট কলেজ ও রাজ্য স্বাস্থ্যদপ্তরে গিয়েছে। মেডিকেল কলেজের এমএসভিপি অভিজিৎ সাহা বলেন, প্রাথমিক রিপোর্টে মৃত যুবকের দেহ থেকে চোখ চুরির কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি। রিপোর্টে বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, ইঁদুর জাতীয় কোনও প্রাণী যুবকের চোখ খুবলেছে। তিনি আরও বলেন, আগামী দিনে এই ধরনের ঘটনা যাতে না ঘটে সেদিকে খেয়াল রাখা হবে। 

Advertisement

অন্যদিকে, মুখ্যমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি মতো নিয়োগপত্র হাতে পেয়ে বৃহস্পতিবার বারাসত জেলাশাসকের দপ্তরের ভূমি সংস্কার বিভাগে কাজে যোগ দিলেন মৃত যুবক প্রীতম ঘোষের মা কৃষ্ণা ঘোষ। তিনি বললেন, মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ। নাহলে আমার সংসার চালানো দায় হত। তবে শাশুড়ি কাজে যোগ দিলেও একরত্তি সন্তান কোলে নিয়ে অসহায়তার কথা জানিয়েছেন মৃতের স্ত্রী কেয়া ঘোষ। তিনি বলেন, শাশুড়ির তো ব্যবস্থা হয়ে গেল। আমার আর কোলের বাচ্চার দায়িত্ব কে নেবে? মুখ্যমন্ত্রী যখন আমার কথা জিজ্ঞাসা করলেন তখন উত্তরে ওরা (শ্বশুর বাড়ি) বলল, বউ কাজ করতে পারবে না। শ্বশুরবাড়ির লোক আমার বাচ্চার কারও কথা বলল না। উল্লেখ্য, বারাসত হাসপাতালে কাজিপাড়ার বাসিন্দা প্রীতম ঘোষের মৃতদেহ থেকে চোখ উপড়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠে। যশোর রোডে বিক্ষোভ চলাকালীন বনগাঁ থেকে ফেরার পথে পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী। আশ্বাস দেন ব্যবস্থা নেওয়ার। এদিকে, এদিনই বারাসত মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বিজেপি নেতা তথা রুদ্রনীল ঘোষের নেতৃত্বে বিক্ষোভ চলে। পরে বিজেপির প্রতিনিধি দল এমএসভিপির সঙ্গেও দেখা করে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ