Bartaman Logo
১১ জুলাই, ২০২৬

বিশ্বব্যাংকের ১৪ হাজার কোটির ঋণ ভোটে ব্যবহার করেছে নীতীশ সরকার, চাঞ্চল্যকর দাবি পিকের দলের

বিশ্বব্যাংক থেকে উন্নয়নের জন্য পাওয়া ২১ হাজার কোটি টাকার ঋণ থেকে ১৪ হাজার কোটি ভোটে জিততে ব্যবহার করেছে নীতীশ কুমারের সরকার। শনিবার এই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ করেছে ভোট কুশলী প্রশান্ত কিশোরের দল জন সুরাজ পার্টি (জেএসপি)।

বিশ্বব্যাংকের ১৪ হাজার কোটির ঋণ  ভোটে ব্যবহার করেছে নীতীশ সরকার, চাঞ্চল্যকর দাবি পিকের দলের
  • ১৭ নভেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

পাটনা: বিশ্বব্যাংক থেকে উন্নয়নের জন্য পাওয়া ২১ হাজার কোটি টাকার ঋণ থেকে ১৪ হাজার কোটি ভোটে জিততে ব্যবহার করেছে নীতীশ কুমারের সরকার। শনিবার এই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ করেছে ভোট কুশলী প্রশান্ত কিশোরের দল জন সুরাজ পার্টি (জেএসপি)। শুক্রবার বিহার বিধানসভা ভোটের ফল ঘোষণা হয়েছে। বিধানসভায় খাতা খুলতে ব্যর্থ হয়েছে পিকের দল। তবে এই খারাপ ফলের জন্য ঘুরিয়ে নীতীশ কুমার সরকারের দান খয়রাতিকেই দায়ী করেছে জেএসপি। তাদের সাফ কথা, ভোট ‘কিনতে’ বিশ্বব্যাংক থেকে পাওয়া অনুদান ব্যবহার করেছে এনডিএ সরকার। আর তাতেই বিরোধীপক্ষ ধরাশায়ী হয়েছে। 

Advertisement

শনিবার পরাজয়ের কারণ নিয়ে সাংবাদিক বৈঠক করেন জেএসপির জাতীয় সভাপতি উদয় সিং। তিনি বলেন, ‘ভোট কিনতে জুন মাস থেকে সরকারি কোষাগার থেকে ৪০ হাজার কোটি টাকা খরচ করেছে নীতীশ কুমারের সরকার। এই বিপুল খরচ অপ্রত্যাশিত। এমনকি বিশ্বব্যাংক থেকে পাওয়া ঋণ থেকে ১৪ হাজার কোটি টাকাও দান এবং বিনামূল্যে পণ্য বিতরণের কাজে ব্যবহার করা হয়েছে।’ এ প্রসঙ্গেই মুখ্যমন্ত্রী মহিলা রোজগার যোজনার প্রসঙ্গ টেনেছেন উদয় সিং। তিনি বলেন, ভোটের কয়েকদিন আগে মহিলাদের জন্য ১০ হাজার টাকা করে অনুদান দেওয়ার কথা ঘোষণা করা হল। তাঁর কথায়, ‘এই প্রথম ভোট গ্রহণের আগেও মানুষ টাকা পেয়েছেন। আদর্শ আচরণ বিধি বলবৎ থাকা সত্ত্বেও এমনটি ঘটেছে। এতে মহিলা ভোট ঘুরে গিয়েছে।’ 
তবে জন সুরাজ পার্টি যে নীতীশ সরকারের ভয় ধরিয়ে দিয়েছে, তাও পরিষ্কার করে দিয়েছেন উদয়। তাঁর কথায়, জেএসপির পক্ষ থেকে বয়স্কভাতার পরিমাণ ২০০০ হাজার টাকা প্রতিশ্রুতির পরেই সরকারের পক্ষ থেকে তা ৭০০ থেকে বাড়িয়ে ১ হাজার ১০০ টাকা দেওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়। দলের অপর নেতা পবন ভর্মার দাবি, ‘আমরা জানতে পেরেছি, বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের জন্য বিশ্বব্যাংক থেকে ২১ হাজার কোটি টাকা ঋণ পেয়েছে বিহার সরকার। সেই ঋণ থেকে ১৪ হাজার কোটি টাকা সরিয়ে ১ কোটি ২৫ লক্ষ মহিলাকে ১০ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়েছে।’

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ