Bartaman Logo
৯ জুলাই, ২০২৬

এবার মধ্যপ্রদেশের বগলামুখী মন্দিরে প্রণামি চুরির অভিযোগ, বদ্রীনাথে সাসপেন্ড কমিটির সদস্য

মধ্যপ্রদেশের বগলামুখী মন্দিরে প্রণামি চুরির অভিযোগ উঠেছে। তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কেন হিন্দু ভক্তদের বিশ্বাসে আঘাত? বিস্তারিত পড়ুন।

এবার মধ্যপ্রদেশের বগলামুখী মন্দিরে প্রণামি চুরির অভিযোগ, বদ্রীনাথে সাসপেন্ড কমিটির সদস্য
  • ৯ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: অযোধ্যার রামমন্দির। দেবভূমি উত্তরাখণ্ডের বদ্রীনাথ মন্দির। এবার তালিকায় যুক্ত হল মধ্যপ্রদেশের বিখ্যাত বগলামুখী মন্দির। হিন্দুধর্মের দশ মহাবিদ্যাদেবীর অন্যতম মাতা বগলামুখীর দু’টি পবিত্র মন্দির রয়েছে। একটি মধ্যপ্রদেশের নালখেড়া এবং অন্য঩টি হিমাচল প্রদেশে। মধ্যপ্রদেশের আগর মালওয়া জেলার বগলামুখী মন্দিরের প্রণামি বাক্সেও নিয়মিত চুরি করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রবল আলোড়ন হওয়ার পর তদন্ত কমিটি গঠন করতে বাধ্য হয়েছে মধ্যপ্রদেশ সরকার। কংগ্রেস প্রশ্ন তুলেছে, বিখ্যাত ও পবিত্র মন্দিরেই কেন নিয়ম করে আস্থাশীল হিন্দু ভক্তদের প্রদান করা প্রণামি চুরি করছে মন্দির কমিটি? মন্দিরগুলি আবার বিজেপি শাসিত রাজ্যেই। অরবিন্দ কেজরিওয়াল প্রশ্ন তুলেছেন, বিজেপি শাসিত রাজ্যে মন্দিরে চুরির ঘটনায় সনাতন ধর্মের বিশ্বাসীদের উপর আঘাত নেমে এসেছে। ঈশ্বর অভিশাপ দেবেন। 

Advertisement

মাতা বগলামুখী মন্দিরে প্রণামি চুরি নিয়ে উঠেছে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ। জানা যাচ্ছে, এখানে নিত্যদিনের প্রণামি বাক্সের পাশাপাশি চালু করা হয়েছিল একটি বিশেষ ব্যবস্থা। মন্দির কমিটির একাংশের যোগসাজশে বড়ো অঙ্কের প্রণামি অথবা সোনা-রুপোর অলঙ্কার গ্রহণ করার জন্য একটি সমান্তরাল ব্যবস্থা চালু ছিল। সেখানেই ভক্তরা সেগুলি জমা দিতেন। ওই নির্দিষ্ট জায়গায় যে প্রণামি ও অলঙ্কার জমা পড়ত, তা জমা করা হত একটি পৃথক বেসরকারি ব্যাংকে। অর্থাৎ মন্দিরের অ্যাকাউন্টে বা ব্যাংকের লকারে এনিয়ে কোনো হিসাব রাখা হয়নি। অডিটেও উল্লেখ করা হয়নি। 
গোটা দেশ থেকে বগলামুখী মন্দিরে ভক্ত ও পূণ্যার্থীদের আগমন ঘটে। সুতরাং চুরির পরিমাণ কত কোটি তা নিয়ে তোলপাড় মধ্যপ্রদেশ। এখানেই শেষ নয়।  ঝাঁসির কাছে ওর্ছার রাজা রাম মন্দিরেও একইরকম চুরির অভিযোগ উঠেছে। বুন্দেলখণ্ডের এই পবিত্র মন্দিরকে কেন্দ্র করে বহু  মিথ আছে। উত্তরাখণ্ডের চুরির অভিযোগ যে সত্যি সেটা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বদ্রীনাথ মন্দিরে চুরির প্রেক্ষিতে এবার দেবভূমির মন্দির পরিচালনার সবথেকে শক্তিশালী ও প্রভাবশালী কমিটির এক কর্মীকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। অন্যদিকে হরিদ্বারে থাকা অদ্ভূত আশ্রম মনলীর পীঠাধীশ স্বামী সন্তোষানন্দ মহারাজ সহ উত্তরাখণ্ডের সন্তসমাজ বলেছে, দেশের সমস্ত পবিত্র মন্দিরে তদন্ত হওয়া দরকার। আমাদের আশঙ্কা চুরি চলছে সর্বত্র। একটির পর একটি চুরি ফাঁস হচ্ছে। কোটি কোটি হিন্দুর আস্থা নিয়ে খেলা মেনে নেওয়া যায় না। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ