Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬

ম্যাক্রঁর ভারত সফরের আগেই ১১৪টি রাফাল কেনা নিয়ে হবে বৈঠক

অপারেশন সিন্দুরে পাক অধিকৃত কাশ্মীর এবং পাকিস্তানের মাটিতে সফল হামলা চালিয়ে তারিফ কুড়িয়েছে রাফাল যুদ্ধবিমান।

ম্যাক্রঁর ভারত সফরের আগেই ১১৪টি রাফাল কেনা নিয়ে হবে বৈঠক
  • ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি: অপারেশন সিন্দুরে পাক অধিকৃত কাশ্মীর এবং পাকিস্তানের মাটিতে সফল হামলা চালিয়ে তারিফ কুড়িয়েছে রাফাল যুদ্ধবিমান। ভবিষ্যতেও ফরাসি সংস্থা দাসো অ্যাভিয়েশনের তৈরি এই যুদ্ধবিমান ভারতের বাজি হতে চলেছে। চলতি মাসের শেষেই ভারত সফরে আসছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রঁ। তার আগেই ১১৪টি রাফাল কেনার ব্যাপারে সবুজ সংকেত দিতে পারে ডিফেন্স অ্যাকুইজেশন কাউন্সিল (ডিএসি)। সূত্রের খবর, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের নেতৃত্বাধীন ডিএসি খুব শীঘ্র এই নিয়ে বৈঠকে বসতে চলেছে। সেই বৈঠকেই এই ছাড়পত্র দেওয়া হবে। গতমাসে রাফাল কেনার প্রস্তাবে সায় দিয়েছে প্রতিরক্ষা সচিব রাজেশকুমার সিংয়ের নেতৃত্বাধীন ডিফেন্স প্রোকিওরমেন্ট বোর্ড। নিয়মানুযায়ী, এরপরের ধাপ ডিএসিতে ছাড়পত্র। সবমিলিয়ে এই দফায় রাফাল ক্রয়ে চুক্তির অঙ্ক হতে পারে ৩.২৫ লক্ষ কোটি টাকা।

Advertisement

সমর বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, ভারতীয় বায়ুসেনা এখন যুদ্ধবিমানের স্বল্পতা সমস্যায় ভুগছে। ৪২টি স্কোয়াড্রেনের ছাড়পত্র থাকলেও মাত্র ২৯টি অপারেশনাল পর্যায়ে রয়েছে। প্রায়ই অশান্ত হয়ে ওঠে পশ্চিম এবং উত্তর সীমান্ত। এই অবস্থায় সীমান্ত নিরাপত্তা নিয়ে কোনও ঝুঁকি নিতে চাইছে না দিল্লি। তাই রাফাল ক্রয় জরুরি হয়ে পড়েছে। সূত্রের খবর, ১১৪টি রাফালের মধ্যে ১৮টি ফ্লাই অ্যাওয়ে অবস্থায় আনা হবে। বাকি ৮০ শতাংশ তৈরি হবে দেশে। এরমধ্যে ৬০ শতাংশ হবে ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ প্রকল্পে। 
প্রস্তাব অনুযায়ী, ৮৮টি এক সিটের এবং ২৬টি যুদ্ধবিমান হবে দু’টি সিটের। অ্যাসেম্বল এবং উৎপাদনের জন্য ভারতীয় সংস্থার সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধবে দাসো অ্যাভিয়েশন। বায়ুসেনার কাছে রাফালের চাহিদা এত বেশি কেন? এক সূত্র জানাচ্ছে, ইতিমধ্যে রাফাল ব্যবহার করছে আইএএফ। সবচেয়ে বড় সুবিধা এর সেন্সর এবং দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করার ক্ষমতা। মেটিওর বিয়ন্ড ভিজুয়াল রেঞ্জ ক্ষেপণাস্ত্র এবং স্ক্যাল্প ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রকে সহজেই এর সঙ্গে জুড়ে দেওয়া যায়। 

সম্পর্কিত সংবাদ