বেঙ্গালুরু: গত ৪৮ ঘণ্টা ধরে দেশের নানা প্রান্তে লাগাতার বৃষ্টি। কার্যত বিপর্যস্ত দক্ষিণ ও উত্তর-পূর্বের বহু রাজ্য। প্রশাসনিক সূত্রে খবর অসম, অরুণাচল, মেঘালয়, মিজোরাম সহ কর্ণাটক ও কেরলে প্রবল বৃষ্টি ও ভূমিধসের জেরে স্বাভাবিক জনজীবন বিপর্যস্ত। অন্তত হাজার খানেক মানুষ জলবন্দি অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন।
প্রবল বৃষ্টি ও ধসের জেরে উত্তর-পূর্ব ভারতের পাঁচ রাজ্যে অন্তত ৩৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। জানা গিয়েছে, অসমে ন’জনের প্রাণ গিয়েছে। বন্যার জলে রাজ্যের কামরূপ, কাছার, ধেমাজি, লখিমপুর এবং গোলাঘাটে অন্তত ১০ হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত। অন্যদিকে অরুণাচল প্রদেশে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। বন্যার কোপে আপার সুবনসিরি জেলায় দাপোরিজো টাউনে ১১৭টি বাড়ি ভেঙে গিয়েছে। মিজোরামে ৬ জন, মেঘালয়ে সাতজন এবং নাগাল্যান্ড ও ত্রিপুরা থেকে একজনের মৃত্যুর খবর এসেছে। নাগাল্যান্ডে ধসের জেরে বেশ কয়েকটি হোটেল ভেঙে পড়ে। মনে করা হচ্ছে ধ্বংস্তূপের নীচে অনেকেই আটকে থাকতে পারেন। দক্ষিণের কর্ণাটক এবং কেরলেও দুর্যোগের জেরে স্বাভাবিক জনজীবন বিপর্যস্ত। কর্ণাটকের দক্ষিণ কন্নড় জেলায় শুক্রবার পাঁচজনের মৃত্যুর খবর মিলেছিল। শনিবারও পরিস্থিতি অত্যন্ত খারাপ। মধুবনী নদী সংলগ্ন রাস্তা প্লাবিত হওয়ার জেরে বিভিন্ন বাড়ি ভেসে গিয়েছে। কোল্লাম, পাঠনমথিত্তা, ইদ্দুকি, এর্নাকুলাম, আলাপুঝা, কোঝিকোড়ে, ত্রিসূর মালাপ্পুরম এবং কোট্টায়াম জেলায় লাল সতর্কতা জারি হয়েছে। এছাড়া উত্তরাখণ্ড এবং জম্মু ও কাশ্মীরের নানা জায়গায় প্রবল বৃষ্টিতে বেশ কয়েকটি জায়গায় ধস নামে।